Elephants death: শ’য়ে শ’য়ে হাতির রহস্যময় মৃত্যুতে চিন্তায় বিজ্ঞানীরা – hundreds of elephants dead in mysterious mass die-off

হাইলাইটস

  • দক্ষিণ আফ্রিকার বত্‍‌সোয়ানা দেশের উত্তর-পশ্চিম ভাগে মূলত মৃত্যু হচ্ছে হাতিদের।
  • হাতিগুলির মৃতদেহে কোনও ক্ষতচিহ্ন নেই।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র দু-মাসের মধ্যে ৩৫০টি হাতির মৃত্যু হল আফ্রিকার বত্‍‌সোয়ানায়। কী কারণে এত অল্প সময়ের মধ্যে এতগুলি হাতি মারা গিয়েছে, তা বুঝতে পারছেন না বিজ্ঞানীরা। হাতিদের মধ্যে নতুন কোনও অসুখ ছড়িয়ে পড়েছে কিনা, সেটা এখনও পর্যন্ত বোঝা যাচ্ছে না।

দক্ষিণ আফ্রিকার বত্‍‌সোয়ানা দেশের উত্তর-পশ্চিম ভাগে মূলত মৃত্যু হচ্ছে হাতিদের। হাতিগুলির মৃতদেহে কোনও ক্ষতচিহ্ন নেই। এই হাতিগুলি চোরাশিকারের বলি হয়েছে বলেও কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি তদন্ত চালিয়ে হাতিগুলিকে বিষ খাওয়ানো বা এদের ওপর অ্যানথ্রাক্স প্রয়োগ করা হয়েছে বলেও কোনও প্রমাণ মেলেনি।

ঠিক কী কারণে হাতিগুলির মৃত্যু হয়েছে তা এখনও পর্যন্ত অন্ধকারের আড়ালে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক বন্যপ্রাণ কোঅর্ডিনেটর দিমাকাটসো নেশেবে। আফ্রিকার মোট হাতির সংখ্যার এক তৃতীয়াংশই রয়েছে বত্‍‌সোয়ানায়। ইউনাইটেড কিংডমের চ্যারিটি ন্যাশনাল পার্কের প্রধান ড. নিয়াল ম্যাকক্যানের মতে কোনও কিছু হাতিগুলির নিউরোলজিক্যাল সিস্টেমে আক্রমণ করতে পারে। এর ফলেই হাতিগুলির আচমকা মৃত্যু হচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি।

করোনা অতিমারীর মধ্যেই এবার হাতি মৃত্যুর খবর নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বত্‍‌সোয়ানার ওকাভাংগো ডেলটায় ৩৫৬টি হাতি মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড ন্যাশনাল পার্কের অ্যাকটিং ডিরেক্টর সিরিল টাওলো। মৃত হাতিগুলির শুঁড় ও দাঁত অক্ষত থাকায় এক্ষেত্রে চোরাশিকারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

হাতিগুলির মৃত্যুর কারণ জানতে মৃতদেহের নমুনা দক্ষি আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং কানাডায় পাঠানো হয়েছে। যে কারণে হাতিগুলিক মৃত্যু হয়েছে, তার জেরে মানুষের মৃত্যুও সম্ভব কিনা, তা বলার মতো পরিস্থিতি এখনও আসেনি বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষ হাতির মৃতদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন ইডাব্ল‌ুবি-র ডিরেক্টর মাইক চেস।

এমনতিই মাত্রাছাড়া চোরাশিকারের জন্য সংকটে আফ্রিকার বন্যপ্রাণ। ক্রমশ কমে আসছে হাতির সংখ্যা। বত্‍‌সোয়ানায় আফ্রিকার মোট হাতির সংখ্যার এক তৃতীয়াংশেরই বাস। ৯০-এর দশকের শেষের দিকে বত্‍‌সোয়ানায় হাতির সংখ্যা বাড়ে। সেই সময় এখানে হাতির সংখ্যা ৮০,০০০ থেকে বেড়ে হয় ১৩০,০০০। তবে হাতির সংখ্যা বাড়ায় আশপাশের গ্রামে সমস্যা বেড়েছে। জঙ্গল থেকে হাতি বেরিয়ে চাষের ক্ষেত নষ্ট করছে বলে অভিযো গ্রামবাসীদের। তার মধ্যে এই ভাবে বিপুল সংখ্যক হাতির মৃত্যুতে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

BSE sensex: Sensex jumps 429 points to finish at 35,844; Nifty ends above 10,550

Thu Jul 2 , 2020
(Representative image) NEW DELHI: Equity indices finished higher for second straight day on Thursday with the benchmark BSE sensex rising over 400 points, led by gains in auto and IT stocks. The 30-share BSE sensex surged 429 points or 1.21 per cent to close at 35,844. While, the broader NSE […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts