K P Sharma Oli: অলি কি পারবেন কুরসি বাঁচাতে? শনিবারই নির্ধারিত হয়ে যাবে – nepal’s ruling communist party’s powerful body to meet on saturday to decide pm k p sharma oli’s fate

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: নেপালের প্রধানমন্ত্রী (Nepal Prime Minister) কেপি শর্মা অলি ( K P Sharma Oli) আদৌ তাঁর কুরসি বাঁচাতে পারবেন কি না, সম্ভবত শনিবার (৪ জুলাই)-ই তা নির্ধারিত হয়ে যাবে।

অলিকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরানোর জন্য ঘরে-বাইরে প্রবল ভাবে চাপ রয়েছে। বিরোধীরা তো তাঁকে পছন্দ করছেনই না। উপরন্তু, নিজের দলেও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন কেপি শর্মা অলি। সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপের কারণে শাসকদলের প্রবীণ নেতারা তাঁকে পছন্দ করছেন না। অলিকে তাঁরা সরাসরি বলেছেন ইস্তফা দিতে।

যদিও, অলি এক অর্থে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে সম্প্রতি নিজে সংগঠনের বৈঠক ডেকে, নিজেই অনুপস্থিত ছিলেন। এর পর, সংগঠন তার উপর আরও চটেছে। প্রবীণ নেতাদের বক্তব্য, নিজে বৈঠক ডেকেও উপস্থিত না-থেকে অলি যা করেছেন, তা সংগঠনকে অপমান। দলীয় সূত্রে খবর, এখন দলের মুখোমুখি হওয়া মানে, তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হবে। অলি সেটা ভালো মতোই জানেন। তাই সংগঠনকে তিনি এড়িয়ে চলতে চাইছেন। নিজের কুরসি নিয়ে প্রবল চাপে পড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। কাঠমান্ডুর এক হাসপাতালে বুকে ব্যথা নিয়ে বৃহস্পতিবার ভর্তিও হয়েছিলেন।

এই অবস্থায় নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির ৪৫ সদস্যের স্ট্যান্ডিং কমিটি শনিবার বৈঠকে বসতে চলেছে। এই বৈঠকেই অলির ভবিষ্যত্‍‌ চূড়ান্ত হয়ে যাবে। অর্থাত্‍‌ অলি আদৌ প্রধানমন্ত্রী থাকবেন কি না, পার্টির স্থায়ী কমিটিই তা ঠিক করে দেবে।

গত বৃহস্পতিবারও অলির ইস্তফা নিয়ে সংগঠনের স্থায়ী কমিটি (Standing Committee) আলোচনায় বসেছিল। সেখানে দলের সিনিয়র নেতারা অলিরা ইস্তফা নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছতে পারেননি। এই অবস্থায় শনিবার ফের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা বৈঠকে বসতে চলেছেন।

হিমালয়ান টাইমস সূত্রে খবর, নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি, NCP-র কার্যনিবাহী চেয়ারম্যান পুষ্প কমল দহাল ‘প্রচণ্ড’ শুক্রবার বালুওয়াটারে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়েছিলেন। দু-জনের মধ্যে কী কথা হয়েছে, তা অবশ্য মিডিয়াকে জানানো হয়নি। জানা গিয়েছে, প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে এই দুই শীর্ষ নেতার কথা হয়েছে। কেপি শর্মা অলির বাড়ি থেকে বেরিয়ে ‘প্রচণ্ড’ গিয়েছিলেন নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারির কাছে।

NCP-র শীর্ষ নেতাদের মতে, অলির ভারত বিরোধী মন্তব্য রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক কোনও দিক থেকেই সঠিক নয়। যে কারণে গত মঙ্গলবারই অলিকে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে বলেন। নেপালের প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ভারত ষড়যন্ত্র করছে। গত রবিবার তিনি অভিযোগের সুরে বলেন, তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরাতে নেপালের হোটেল ও দূতাবাসগুলিতে কিছু কার্যকলাপ হচ্ছে। নেপালি নেতারাও এর সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। অলির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে, তাঁর সংগঠন থেকেই বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অলি ব্যর্থ। নিজের ব্যর্থতা ঢাকতেই ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছেন। ভারতের সঙ্গে বিরোধ বাধিয়ে চিনের সঙ্গে অলির মাখামাখিও এনসিপি’র শীর্ষ নেতৃত্বকে ক্ষুব্ধ করেছে।

এই অবস্থায় এনসিপির স্থায়ী কমিটি শীর্ষ নেতাদের কথা মতো অলিকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেন, নাকি তাঁকে সতর্ক করে আরও একবার সুযোগ দিতে চায় দল, তা আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

মালবাগে এনকাউন্টারে খতম CRPF-এর উপর হামলাকারী কাশ্মীরের ত্রাস জঙ্গি জাহিদ দাস

Fri Jul 3 , 2020
অনন্তনাগে কর্তব্যরত সিআরপিএফ জওয়ানদের উপর যে জঙ্গি হামলা হয়, সেই জঙ্গি দলের অন্যতম ছিল জাহিদ। Source link

You May Like

Breaking News

Recent Posts