Donald Trump: ‘অনলাইনে ক্লাস চললে আমেরিকা ছাড়তে হবে’, ভিনদেশি ছাত্রছাত্রীদের নির্দেশ ট্রাম্পের – donald trump admin says foreign students must leave us if classes go online

হাইলাইটস

  • আমেরিকার নয়া ভিসা নীতির কারণে বেজায় ফাঁপড়ে ভিনদেশি ছাত্রছাত্রীরা।
  • নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি শুধুমাত্র অনলাইন ক্লাস করাচ্ছে, সেখানকার ভিনদেশি ছাত্রছাত্রীদের হয় কলেজ বদল করতে হবে, নয়তো আমেরিকা ছাড়তে হবে।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকার নয়া ভিসা নীতির কারণে বেজায় ফাঁপড়ে ভিনদেশি ছাত্রছাত্রীরা। নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি শুধুমাত্র অনলাইন ক্লাস করাচ্ছে, সেখানকার ভিনদেশি ছাত্রছাত্রীদের হয় কলেজ বদল করতে হবে, নয়তো আমেরিকা ছাড়তে হবে।

আমেরিকার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এমফোর্সমেন্ট (ICE)-র ৬ জুলাইয়ের বিবৃতির প্রথম পংক্তিতে বলা হয়েছে, ‘সম্পূর্ণরূপে অনলাইনে পড়ানো স্কুলগুলিতে পুরো অনলাইনে কোর্স করতে পারবেন না ননইমিগ্রান্ট F1 ও M1 ছাত্রছাত্রীরা, আমেরিকায় থাকতেও পারবেন না।’

এই বিবৃতির ফলে স্বাভাবিকভাবে চরম উদ্বেগে পড়েছেন ভিনদেশি ছাত্রছাত্রীরা। বারবার গিয়ে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়েরর অনুসন্ধান কেন্দ্রে তাঁরা খোঁজ নিচ্ছেন। নির্দেশিকা সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট ধারণা নেই অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের। সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, নয়া তথ্যের বিষয়টি তাঁরা ভালো করে খতিয়ে দেখছেন।

ইমিগ্রেশন অ্যাটর্নি সাইরাস মেহতা জানিয়েছেন, এক পাতার নয়া নীতির নির্দেশিকার অর্থ মূলত তিনটি। আমেরিকার যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি শুধুমাত্র অনলাইন কোর্সের মডেলে চলে যাচ্ছে, সেখানে ভর্তি হওয়া ভিনদেশি ছাত্রছাত্রীদের আর F1 ভিসা দেওয়া হবে না। F1 ভিসা নিয়ে তাঁরা আর আমেরিকায় ঢুকতে পারবেন না। ফল সেমেস্টারেও তাঁরা F1 স্টেটাস রক্ষা করতে পারবেন না।

আমেরিকার ৪০-৫০টি প্রদেশে করোনার বাড়-বাড়ন্ত সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি খোলার ব্যাপারে জোর দিচ্ছে ICE। মেহতা ট্যুইটে জানিয়েছেন, ‘সুতরাং ট্রাম্প কোভিড-১৯-এর অসুরক্ষিত পরিস্থিতিতেই ভিনদেশি ছাত্রছাত্রীদের পড়তে বাধ্য করছেন।’

সংকটময় মার্কিন অর্থনীতির জন্য ভিসা সিদ্ধান্ত মারাত্মক, সরব গুগল-FB-অ্যামাজন

আমেরিকায় সেপ্টেম্বরের শুরুতে অর্থাত্‍‌ লেবার ডে-র ঠিক পরেই শুরু হওয়ার কথা ২০২০ সালের ফল সেমেস্টার। সেই সময়ে সে দেশের করোনায় মৃতের সংখ্যা ১,৭০,০০০ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ICE-র এই নির্দেশ এমন একটা সময়ে দেওয়া হল, যখন করোনাভাইরাসে রীতিমতো ধুঁকছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ। এখনও প্রযন্ত আক্রান্ত ২৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ। মৃতের সংখ্যা ১,৩০,০০০ ছাড়িয়েছে। মার্কিন বাণিজ্যের ২০১৮-র রিপোর্ট বলছে, মার্কিন অর্থনীতির ৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারই আসে ছাত্রসংখ্যার থেকে। ২০১৯ আর্থিক বছরে প্রায় ৩,৯০,০০০ বিদেশি ছাত্রছাত্রী ছাত্রভিসা নিয়ে আমেরিকায় পড়তে গিয়েছেন।

এর আগে, H-1B এবং L1 ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তের ফলে ২০২০ সালের বাকি সময়ের মধ্যেই আমেরিকায় ৫ লাখ ২৫ হাজার কর্মখালি হবে। সাংবাদিকদের সঙ্গে হওয়া কনফারেন্স কলে এই তথ্য জানান প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ এক আধিকারিক। তিনি আরও জানান, করোনা পরবর্তী সময়ে মার্কিনিদের দ্রুত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে এবং দেশের অর্থনীতির উন্নতির জন্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানান ২০২০ সালের বাকি সময়ের জন্যে বন্ধ রাখা হবে বেশ কিছু জনপ্রিয় নন-ইমিগ্রান্ট ভিসা, যার মধ্যে পড়ছে H-1B, H-4, H-2B, J এবং L ভিসা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

এবছর আর কোভিড-19 থেকে মুক্তি নেই! করোনা নিয়ে উদ্বেগে সৌরভ

Tue Jul 7 , 2020
কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াইকে ব্যাটিংয়ের সঙ্গে তুলনা করে সৌরভ বলেন Source link

You May Like

Breaking News

Recent Posts