sushmita dev coronavirus positive: কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেব করোনা পজিটিভ – president of the mahila congress sushmita dev tests positive for coronavirus

হাইলাইটস

  • কংগ্রেসের সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেস সভানেত্রী সুস্মিতা দেব করোনা পজিটিভ
  • বুধবার তাঁর করোনা টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ আসে
  • যদিও তিনি উপসর্গহীন বলে জানিয়েছেন
  • বাড়িতেই কোয়ারানটিনে রয়েছেন
  • অসমে করোনা আক্রান্ত ১২০০ ছাড়িয়েছে

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেস সভানেত্রী তথা শিলচরের প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দেবের (Sushmita Dev) কোভিড টেস্ট রেজাল্ট পজিটিভ এসেছে। সঞ্জয় ঝা, অভিষেক মনু সিংভির পর কংগ্রেসের তৃতীয় কোনও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি করোনাভাইরাস (coronavirus) সংক্রমণের শিকার হলেন।

মঙ্গলবার কোভিড পরীক্ষার জন্য নমুনা পরীক্ষা করাতে দিয়েছিলেন সুস্মিতা দেব। বুধবার সকালে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ থেকে কংগ্রেস নেত্রীকে ফোন করে জানানো হয় রিপোর্ট নেগেটিভ। কয়েক ঘণ্টা পর ফের ফোন করে জানানো হয়, আগের পরীক্ষার ফল নিশ্চিত নয়। ফের পরীক্ষা হচ্ছে। বিকেলে জেলাশাসক কীর্তি জল্লি নিজে ফোন করে সুস্মিতা দেবকে জানান, তাঁর টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ (Sushmita Dev coronavirus positive)! দু-বার রিপোর্ট দু-রকম এল কেন, তা নিয়ে বিস্মিত কংগ্রেস নেত্রী। একই সঙ্গে ক্ষুব্ধও।

সর্বভারতীয় মহিলা কংগ্রেস সভানেত্রী বলে নয়, সদ্য বিহার থেকে শিলচরে ফেরা এক পরিবারের সঙ্গেও এমনটা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার অ্যাম্বুল্যান্সে করে দেড় বছরের শিশু-সহ ওই দম্পতিকে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভর্তি করানো হয়নি।

গভীর রাতে জানানো হয়, পজিটিভ রোগীদের তালিকায় তাঁদের নাম নেই। বাচ্চা কোলে গভীর রাতে কয়েক কিলোমিটার হেঁটে বাড়ি ফেরেন তাঁরা। কিন্তু, দম ফেলার ফুরসত মেলেনি। বুধবার সকাল হতেই ফের হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্স তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে আনা হয়। হাসপাতাল থেকে জানানো হয়, তাঁরা কোভিড পজিটিভ।

কংগ্রেসের মুখপাত্র সুস্মিতা ট্যুইট বার্তায় জানান, টেস্ট রেজাল্ট পজিটিভ এলেও এখনও পর্যন্ত তিনি উপসর্গহীন।

এদিকে, বরাক উপত্যকা শিলচরের সাংসদ রাজদীপ রায়ের করোনা রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে। শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে তাঁকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রসূতি বিশেষজ্ঞ মনিকা দেবের শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়ার পর আর একমুহূর্ত দেরি না-করে, তিনি নিজে গিয়েই সোয়াব পরীক্ষার জন্য দিয়ে আসেন। পাশাপাশি পরিবারের সকলের লালা সংগ্রহ করা হয় কোভিড টেস্টের জন্যে। কারণ, চিকিত্‍‌সক মনিকা তাঁর জীবনজ্যোতি হাসপাতালের চেম্বারে বসতেন। রাজদীপ রায়ের করোনা রিপোর্ট জানা গেলেও তাঁর পরিবারের রিপোর্ট এখনও জানা যায়নি।

এদিকে, অসমে করোনা আক্রান্তের (Covid In Assam) সংখ্যা বুধবার ১২০০ ছাড়িয়ে গেল। আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে করোনা মৃত্যুও বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে সাত জনের। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২২।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, মঙ্গলবার রাত ২টো থেকে বুধবার ভোর ৫টার মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন গুয়াহাটির হেদায়েতপুরের বাসিন্দা শফিকুল রহমান (৬০), দিসপুর কাহিলীপাড়ার বাসিন্দা উৎপলকুমার চলিহা (৭৫), গুয়াহাটির লালগণেশের বাসিন্দা হরিপ্রসাদ মণ্ডল (৬৮) ও বরপেটার পাতাচারকুচির বাসিন্দা রমণী মজুমদার (৬০)।

তাঁরা সকলেই তীব্র নিউমোনিয়া, ইউরোসেপসিস ও সেপটিক শক নিয়ে গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু, উদালগুড়ির মাঝবাটের বাসিন্দা, মাত্র ৩০ বছরের যুবক জিতেন্দ্র প্রসাদ এদিন তেজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

মঙ্গলবার সেপ্টিসেমিয়া এবং করোনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। আজ তাঁর মৃত্যু হয়। জ্বর থাকলেও জিতেন্দ্রকে বাড়ির লোক সময়মতো হাসপাতালে না এনে, জড়িবুটির মাধ্যমে চিকিৎসা চালাচ্ছিলেন। মঙ্গলবার গুয়াহাটিতে মারা গিয়েছেন কামরূপের দেবী কাকতি নামে এক মহিলা ও কলিয়াবরের ধাদারাম মুরা। দেবী ডায়বেটিস ও ধাদারাম নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Private lenders disburse nearly 60% of sanctioned credit under ECLGS, BFSI News, ET BFSI

Thu Jul 9 , 2020
MSME loan disbursement under Emergency Credit Line Guarantee Scheme (ECLGS) has gained momentum with public sector banks disbursing Rs 35,575.48 crore spread across 13,69,089 accounts as compared to Rs 22,197.54 crore as on June 24, 2020, and private sector banks around Rs 20,515.70 crore spread across 1,55,602 accounts, against Rs […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts