
মমতা সরকারের কড়া বার্তার পর
যখন গরীব কল্যাণ রোজগার যোজনা ঘোষিত হয়েছিল, তখন ১২৫ দিনের কাজের কথা ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র। সেই সময় বিজেপি বিরোধী দুটি রাজ্য, ছত্তিশগড় ও পশ্চিমবঙ্গকে এই তালিকা থেকে বাদ দেয় কেন্দ্র। এরপরই গর্জে ওঠে মমতা সরকার।

মমতার হুঙ্কার
কেন্দ্রের এমন অবস্থানের পর মমতা সরকার প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করে। কেন্দ্রের কাজে সাম্যতা ও নিরপেক্ষতার অভাব রয়েছে বলে ক্ষোভের সুর তোলে তৃণমূল সরকার। ঘাসফুল শিবির জানিয়ে দেয় ইচ্ছা করে বাংলার বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।

এরপরই কেন্দ্রের পাল্টা জবাব
মমতার বার্তার পরই কেন্দ্রের তরফে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানান, পশ্চিমবঙ্গ সঠিকভাবে জানায়াইনি যে সেরাজ্যে কতজন পরিযায়ী শ্রমিক এসেছেন। আর সেই সংখ্যা ঠিকভাবে না পাওয়া যাওয়ার সরকার রাজ্য়কে স্কিমের আওতায় রাখতে পারেনি প্রথমে।

মমতার কথা শুনতে বাধ্য হল মোদী সরকার!
শেষমেশ বাংলার তরফে মমতা সরকার বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগ নিতেই কেন্দ্র জানায়, পশ্চিমবঙ্গের ২ টি রাজ্যে এই স্কিম চালু হবে। অন্যদিকে, ছত্তিশগড়ের ক্ষেত্রেও পশ্চিমবঙ্গের মতোই ঘটনা ঘটে। কংগ্রেস শাসিত সেরাজ্যে ৫ লাখ পরিযায়ী শ্রমিক এলেও রাজ্য পাচ্ছিল না ‘গরীব কল্যাণ রোজগার অভিযান’ স্কিম। তবে শেষমেশ ছত্তিশগড়ের একটি জেলাকেও এই স্কিমের আওতায় রাখা হয়েছে।

বিজেপি শাসিত রাজ্যে কেন্দ্রের বেশি নজর!
যেখানে ছত্তিশগড় ও পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিক দিনকে দিন বাড়ছে, সেখানে রাজ্যগুলি বারবার আরও জেলাকে এই স্কিমের আওতায় ঢোকানোর দাবি জানাচ্ছে। এদিকে, সূত্রের দাবি, বিজেপি শাসিত, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে আরও জেলাকে এই স্কিমের আওতায় ঢোকানো হবে। যদিও বিজেপি বিরোধী সরকার ঝাড়খন্ডে রয়েছে, সেখানেরও আরও একাধিক জেলাকে কেন্দ্র এই স্কিমের আওতায় রাখবে বলে খবর।