হাইলাইটস
- এই কাণ্ডের জন্য ইনজামামুল হককে দুই ম্যাচের জন্য ব্যান করে দেওয়া হয়েছিল।
- এমনকী জল এতদূর অবধি গড়িয়েছিল যে, কোর্ট অবধি ছুটতে হয়েছিল ইনজামামুলকে।
- ওই ভারতীয় ভক্তের সঙ্গে কথা বলেছিলেন আজহারউদ্দিন। আর সেই কারণেই ওই ভারতীয় ভক্ত পরবর্তীতে ইনজির বিরুদ্ধে কেসটি তুলে নিয়েছিলেন।
ঘটনার প্রায় ২৩ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর প্রাক্তন পাকিস্তানি অধিনায়ক ওয়াকার ইউনিস বললেন, “সে দিন ইনজামাম আলু ডাকের থেকেও বেশি পরিমাণে রেগে গিয়েছিলেন এক পাকিস্তানি ভক্তের উপরে। সেই পাকিস্তানি ভক্ত তৎকালীন ভারতীয় অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিনের স্ত্রীকে নিয়ে গালমন্দ করে চলেছিলেন।” ওয়াকার জানালেন, প্রথম দিকেই এই ‘আলু’ ডাকটা এড়িয়েই যাচ্ছিলেন ইনজামাম। কিন্তু পরবর্তীতে দুটো কাণ্ড একই সঙ্গে ইনজামামের রাগের আগুনে ঘি ঢেলেছিল।
ওয়াকারের কথায়, “হ্যাঁ সে দিন একজন ওকে আলু বলে বিরক্ত করছিল ঠিকই। তার থেকেও বড় কথা হল ভিড় থেকেই কেউ একজন মহম্মদ আজহারউদ্দিনের স্ত্রীকে নিয়ে গালমন্দ করছিল। আর ইনজি সেটা এক্কেবারেই ভালো চোখে দেখেনি। কারণ একটা জিনিস লক্ষ্য করে দেখবেন, ক্রিকেট ম্যাচে আমাদের দুই দলের দ্বৈরথ থাকতে পারে। কিন্তু আমরা বন্ধুত্বের বিষয়ে সবসময়ই একে অন্যের পাশে দাঁড়াই।”
এরপরই ওয়াকার ইউনিস যোগ করলেন, “সেলিম মালিক মনে হয় তখন আমাদের অধিনায়ক ছিলেন। ইনজি অধিনায়ককে রাজি করিয়ে বাউন্ডারি লাইনে ফিল্ডিং করতে যায়। আর তরপরই দলেরই এক সতীর্থকে বলে ব্যাটটা নিয়ে আসতে। সে ইনজির হাতে ব্যাট ধরাতেই ও সোজা গ্যালারিতে উঠে গিয়ে ব্যাটে করে মেরে আসে ওই ব্যক্তিকে।”
আরও পড়ুন: ‘খেলরত্নের যোগ্য নই!’ পঞ্জাব সরকারের সিদ্ধান্তে বিতর্ক বাড়ালেন ভাজ্জি
এই কাণ্ডের জন্য ইনজামামুল হককে দুই ম্যাচের জন্য ব্যান করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকী জল এতদূর অবধি গড়িয়েছিল যে, কোর্ট অবধি ছুটতে হয়েছিল ইনজামামুলকে। ওয়াকারের কথায়, “ইনজিকে ক্ষমা চেয়ে নিতে হয়েছিল। তবে সবথেকে ভালো বিষয়টা হল ওই ভারতীয় ভক্তের সঙ্গে কথা বলেছিলেন আজহারউদ্দিন। আর সেই কারণেই ওই ভারতীয় ভক্ত পরবর্তীতে ইনজির বিরুদ্ধে কেসটি তুলে নিয়েছিলেন।”