হাইলাইটস
- ব্যবহার করা মাস্ক, হাতমোজা যেখানে সেখানে যেমন তেমন করে ফেলা যাবে না
- ফেলার আগে কিছু নিয়ম মানতে হবে
- নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের
- বাতিল করার আগে মাস্কটি আলাদা করে, ৭২ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে
- রাখতে হবে কাগজের প্যাকেটে
- নির্দিষ্ট জঞ্জালের পাত্রে ফেলার আগে মনে করে ছিঁড়ে ফেলতে হবে
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের এক নির্দেশে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, সাধারণ বাড়িতে যে মাস্কগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলি বাতিল করলে, সেদিনই ফেলা যাবে না। তা হলে কী করতে হবে? শেষ যেদিন আপনি ওই মাস্কটি ব্যবহার করেছেন, তার পর কমপক্ষে তিন দিন, অন্তত ৭২ ঘণ্টা আপনাকে ওই মাস্কটি ঘরে রেখে দিতে হবে।
তা-ও যেমন তেমন করে রাখলে হবে না। কাগজের ব্যাগ বা কাগজের প্যাকেটে বাতি মাস্ক রেখে, সেটি ঘরের এক কোণে বা ধারে রেখে দিন। তিন দিন পর প্যাকেটটি জঞ্জালের গাড়িতে ফেলে দেওয়ার আগে, মাস্কটি একবার বের করে ছিঁড়ে দিন। এমন ভাবে ছিঁড়বেন, যাতে দ্বিতীয় বার কারও ব্যবহার করার মতো অবস্থায় না-থাকে।
কোভিড সুরক্ষায় ব্যবহার করা আপনার বাতিল দস্তানা বা হাতমোজার জন্যও একই নির্দেশ অনুসরণ করতে বলেছে কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। তিন দিন বাড়িতে রেখে, ছিঁড়ে, জঞ্জালের পাত্রে সুরক্ষিত ভাবে ফেলুন।
বিভিন্ন বাণিজ্যক জায়গায়, এমনকী সাধারণ বাড়িতেও যাঁরা পিপিই (PPE) ব্যবহার করছেন, তাঁদের কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের নিয়ম মেনেই সেগুলি বাতিল করতে হবে। নির্জন, ফাঁকা রাস্তা দেখে ছুড়ে ফেলা যাবে না।
আরও পড়ুন: N-95 মাস্ক পরে করোনার ঝুঁকি বাড়াবেন না, সতর্ক করল কেন্দ্র!
দেশে কোভিড সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তে এর আগে মুখের মাস্ক নিয়েও দেশবাসীকে সতর্ক করে দিয়েছে কেন্দ্র। করোনা সংক্রমণের একেবারে শুরু থেকে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতোই সচ্ছল লোকজন N-95 মাস্ক ব্যবহার করা শুরু করেছিল। কিন্তু, কেন্দ্রের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এন-৯৫ মাস্কের ব্যবহারে হিতে বিপরীত হচ্ছে।
বিশেষত ভালভ লাগানো N-95 মাস্কে। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি যদি ওই মাস্ক পরেন, অনায়াসে মাস্ক পরে থাকা অবস্থাতেও তিনি অন্যকে সংক্রামিত করতে পারেন। আবার, সুস্থ মানুষের মুখে ওই মাস্ক থাকলে, পজিটিভ রোগীর সংস্পর্শে তাঁরাও সংক্রামিত হতে পারেন। তাই স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া সাধারণ মানুষকে N-95 মাস্ক পরতে নিষেধ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: সাবধান! মাস্ক না পরে বেরোলেই ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ, কলকাতায় নববর্ষেই শাস্তি ১৩০ জনকে…
২৩ জুলাই, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভারতে করোনা আক্রান্ত বেড়ে হয়েছে ১২ লক্ষ ৮৮ হাজার ১৩০। গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৪৮ হাজার ৪৪৬ জন। একদিনে গোটা দেশে ৭৫৫ মৃত্যু-সহ মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩০ হাজার ৬৪৫।
