এর আগে গত ১২ জুন ভারত-নেপাল সীমান্তে বিহারের সীতামারিতে নেপাল পুলিশের গুলিতে এক ভারতীয় কৃষক প্রাণ হারান। আহত হয়েছিলেন আরও ২ জন ভারতীয় নাগরিক। সীমান্তের কাছে খামারে যখন তাঁরা কাজ করছিলেন তখন সীমান্তের ওপার থেকে গুলি চালানো হয়েছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছিলেন। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান বিকেশ রাই (২৫) নামে এক যুবক। জখম অবস্থায় উমেশ রাম ও উদয় ঠাকুর নামে আরও দু’জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। অভিযোগ, সে দিন মোট ১৭ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছিল নেপালের দিক থেকে। এই ঘটনার এক মাসের মধ্যে জেরে এবার কিষাণগঞ্জে ভারত-নেপাল সীমান্তে ভারতীয়দের উপরে নেপাল পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনায় গোটা এলাকা উত্তপ্ত। প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন।
সম্প্রতি নানা ইস্যুতে ভারত-বিরোধিতায় সুর চড়াতে দেখা গিয়েছে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলিকে। মানচিত্র বিতর্কই হোক আর ‘আসল অযোধ্যা’কে নেপালে ঢুকিয়ে, রামচন্দ্রকে নেপালি বলে দাবি করা– সে দেশের এই বর্ষীয়ান কমিউনিস্ট নেতার প্রতিটি কার্যকলাপের মধ্যে বিশেষ পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছেন কূটনৈতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, ভারতীয় উপমহাদেশের ভূ-রাজনীতিতে অশান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে চিনের অঙ্গুলি হেলনেই এমন বিতর্কিত কাজ করছেন কেপি শর্মা অলি। নেপালের প্রধানমন্ত্রী নিজেকে অন্যের হাতের পুতুল করে তুলছেন। এর মধ্যে রবিবার বিহারে সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের উপরে নেপাল পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনা দু-দেশের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই কি না, তা তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে।
