— ভারত-চিন সংকটে বন্ধু ভারতের পাশেই দাঁড়াল ফ্রান্স।
— কেন্দ্রের থেকে ১৯৬ কোটি টাকার অনুদান পেল আইআইটি কানপুর, তৈরি হবে সাইবার থ্রেট মোকাবিলা কেন্দ্র।
— লালফৌজের তরফে জানানো হয়েছে, দু’এক দিনের মধ্যেই তারা পাল্টা দলিল ভারতের হাতে তুলে দেবে। অর্থাৎ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছে ভারতীয় ভূখণ্ডের চুশুল সেক্টরে দশঘণ্টা ব্যাপী বৈঠকেও সে অর্থে কোনও অগ্রগতি হয়নি। ঠিক যেমনটা আশঙ্কা করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। এ দিন বৈঠক শেষ হয় রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ। সপ্তাহান্তে ফের বৈঠক হওয়ার কথা।
— ২৮ জুন তারিখে তোলা এই উপগ্রহচিত্রে ভারতীয় ভূখণ্ডের যে এলাকাগুলিকে চিনা অনুপ্রবেশের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, তার মধ্যে আছে গলওয়ান, দেপসাং, ডিবিও এবং প্যাংগং লেক৷ এর মধ্যে সব থেকে বেশি চিনা আগ্রাসন দেখা গিয়েছে প্যাংগং লেক সংলগ্ন এলাকার ফিঙ্গার ৪ থেকে ফিঙ্গার ৫-র মধ্যে৷ এই এলাকার খুব কাছ দিয়েই নিয়মিত টহলদারি চালাচ্ছে চিনা যুদ্ধ বিমান, উঠে এসেছে উপগ্রহচিত্রেই৷
— চিন সীমান্তের বিস্তীর্ণ অংশে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, লাদাখের বিস্তীর্ণ অংশে মোতায়েন করা হয়েছে টি-৯০ ভারি ট্যাঙ্ক৷ একই সঙ্গে বসানো হয়েছে হাউৎজার কামানও৷
