তাঁর সমবয়সি কাউকে বাদ দিন, তাঁর থেকে এক কুড়ি কম, ষাটেরই বা ক’জন পারবেন এমন অনায়াস ভঙ্গিমায় ওজন তুলতে! সদ্য যৌবনে পা দেওয়া আঠারোও কি পারবেন বাঘেলাকে ওয়ার্কআউটে চ্যালেঞ্জ জানাতে? সন্দেহ আছে। একজনকেই মনে পড়ে, যিনি শংকর সিং বাঘেলাকে টেক্কা দিতে পারতেন, মনোহর আইচ।
আরও পড়ুন:উদ্বেগ বাড়িয়ে এবার তেলেঙ্গানায় শুরু গোষ্ঠী সংক্রমণ
সে প্রসঙ্গ থাক। তা বাঘেলার ফর্মুলাটা কী? Body fit+ Mind fit = Life hit। শরীর ও মন যদি সুস্থ থাকে জীবনে আপনি ‘হিট’ করবেনই। আর এই শরীর ও মন চাঙ্গা রাখার একটাই অস্ত্র। তা ব্যায়াম, জিম, ওয়ার্কআউট– যে ভাবেই আপনি বলতে অভ্যস্ত হোন না কেন।
অবশ্য একটি নয়, আরও একটি ছবি তিনি শেয়ার করেছেন। দ্বিতীয় ছবিটিতে (আদতে সেটিই প্রথম ছবি) তাঁকে দেখা যাচ্ছে জগিং করছেন। ছবি জোড়া তিনি নিজেই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে শেয়ার করেছেন। নীচে গুজরাতিতে যে ক্যাপশন দিয়েছেন, তার তর্জমা করলে দাঁড়ায় শরীর ফিট + মন ফিট = লাইফ হিট।
আরও পড়ুন:মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরেই করোনা পজিটিভ মন্ত্রী, ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীও!
গত জুনের শেষ দিকে গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শংকর সিং বাঘেলার করোনাভাইরাস ধরা পড়েছিল। জ্বর আসায় কোভিড টেস্ট করিয়ে পজিটিভ রিপোর্ট পেয়েছিলেন। তার পর বাড়িতেই কোয়ারানটিনে থাকবেন বলে ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু, উন্নত চিকিত্সার জন্য পরদিন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। বাঘেলার মিডিয়া সহকারী পার্থেশ প্যাটেল সেসময় জানিয়েছেন, ওনাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল। কিন্তু উন্নত চিকিৎসার জন্য ডাক্তারদের পরামর্শে তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়। ডায়াবেটিসের মতো কোনও ব্যাধি না থাকায় বিশেষ উদ্বেগের কিছু নেই বলে আশ্বস্ত করেছিলেন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে বাঘেলার সহযোগীরা একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি ভালোই আছেন। তবে সাবধানতা অবলম্বনের প্রয়োজনে চিকিৎসকদের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। তাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ফোন করে স্বাস্থ্যের খরর নিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন বর্ষীয়ান এই নেতা।
তার পর কিছু দিন হাসপাতালে কাটিয়ে, দিন কয়েক হল সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। কয়েক দিন বিশ্রাম নিয়ে, আবার ওয়ার্কআউট শুরু করছেন। কারণ, নিজেকে ভালো রাখার এটাই মোক্ষম দাওয়াই।
