আরও পড়ুন: কেরালা-কর্নাটকে লুকিয়ে ISIS জঙ্গিরা, ছক হামলার: UN রিপোর্ট
নিগৃহীতা ওই কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ, বিগত এক বছর ধরে তাদের মেয়েকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। বেসরকারি স্কুলের ম্যানেজার, শিক্ষকরা ছাড়াও আরও কয়েক জন এই ঘটনায় জড়িত। এফআইআরে কয়েক জন গ্রামবাসীরও নাম রয়েছে।
নারায়ণপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে। তবে, শনিবার রাত পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।
দু-বছর আগে এই আলওয়ারেই গোরু পাচারকারী সন্দেহে পিটিয়ে খুন করা হয়েছিল আকবর ওরফে রাকবরকে। সন্দেহভাজন গোরক্ষকবাহিনীর হাতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। যে ঘটনাকে ঘিরে উত্তাল হয় রাজনীতি। কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপি এর পিছনে ষড়যন্ত্রও দেখতে পায়। অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিকানীরের সাংসদ অর্জুন রাম মেঘওয়াল সেসময় দাবি করেন, ভোটের সময় হলেই এ ধরনের ষড়যন্ত্র হয় প্রধানমন্ত্রীকে বদনাম করার জন্য।
আরও পড়ুন: সন্তান-সহ ভারতীয় যুবতীকে ‘অপহরণ’ নেপাল পুলিশের, ফের উত্তেজনা সীমান্তে
আলওয়ারের ওই গণপ্রহারে আকবর ওরফে রাকবর নামের একজনের মৃত্যু হয়। আহত হন আসলাম নামে আরও এক ব্যক্তি। খুনের ঘটনায় এফআইআরেও বেশ কিছু গরমিল পাওয়া যায়। এফআইআরে আকবরের বয়স ২৮ বলে দেখানো হয়েছে, অথচ আধার কার্ড অনুসারে তার বয়স ৩২।
আরও পড়ুন: PM কেয়ারের টাকায় কেনা ২০ ভেন্টিলেটর পৌঁছল হাসপাতালে, এর মধ্যে অকেজো ১০!
রামগড় থানার এএসআই মোহন সিং যে এফআইআর দায়ের করেন, তাতে বলা ছিল, পুলিশ পৌঁছনোর সময়েও বেঁচে ছিলেন আকবর। এফআইআরের বয়ান অনুসারে, আকবর জানান কয়েক জন এলাকার লোক তাঁদের রাস্তা আটকে গোরু পাচারকারী ভেবে মারধর করতে শুরু করে। আসলাম পালাতে পারলেও অপরিচিত স্থানীয় বাসিন্দারা লাঠি দিয়ে আক্রমকে মারধর করেন। যার ফলে হাত, পা ও সারা শরীরে আকবর গুরুতর চোট পান। পুলিশ জিপে করে আকবরকে রামগড় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে, চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
