corona in kolkata: আর নয় অমানবিকতা, আক্রান্তের পাশে দাঁড়াবেন করোনাজয়ীরা! উদ্যোগ পুরসভার – corona survivors will help virus effected people in kolkata

হাইলাইটস

  • রবিবার আর সোমবার বনগাঁ, উত্তর কলকাতার শ্যামপুকুর ও বেহালার সাহাপুরের তিনটি ঘটনা যেন আরও বেশি করে সেই অমানবিকতার বিষয়টিকে আরও প্রকট করে দিচ্ছে।
  • পরিস্থিতি দেখে এবার করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে উদ্যোগী হল কলকাতা পুরসভা।
  • পুরসভার ১৬টি বরো এলাকাতেই এবার কলসেন্টার চালু করা হচ্ছে। সেখানে থাকবেন করোনা জয়ীরা।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আবহে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মানতে গিয়ে ক্রমেই যেন অমানবিক হয়ে উঠছে মানুষ। সাম্প্রতিক রাজ্যের বেশ কয়েকটি ঘটনায় এমন নজিরই সামনে এসেছে। রবিবার আর সোমবার বনগাঁ, উত্তর কলকাতার শ্যামপুকুর ও বেহালার সাহাপুরের তিনটি ঘটনা যেন আরও বেশি করে সেই অমানবিকতার বিষয়টিকে আরও প্রকট করে দিচ্ছে। পরিস্থিতি দেখে এবার করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে উদ্যোগী হল কলকাতা পুরসভা।

জানা গিয়েছে, কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরো এলাকাতেই এবার কলসেন্টার চালু করা হচ্ছে। সেখানে থাকবেন করোনা জয়ীরা। আক্রান্তের তরফে তাঁদের কাছে ফোন গেলেই উদ্যোগী হবেন তাঁরা। প্রয়োজনে ওই করোনাজয়ীরাই পৌঁছে যাবেন আক্রান্তের বাড়িতে, ব্যবস্থা করবেন রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার। খুব শীঘ্রই এই পরিষেবা চালু হবে বলে জানিয়েছেন পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য অতীন ঘোষ।

জানা গিয়েছে, কম বয়সী করোনাজয়ীদেরই এই কাজে লাগানো হবে। বিশেষ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাঁদের ১৫ হাজার টাকা করে মাসিক সাম্মানিকও দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, করোনাজয়ীদের কাজে লাগালে তাঁদের মাসিক সাম্মানিক দেওয়ার বিষয়টি আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, এই কাজে যে করোনাজয়ীরা যোগ দেবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে একটি শর্তই দেওয়া হয়েছে। সেটি হল, ওই করোনাজয়ীদের প্রত্যেকের বাইক থাকতে হবে।

পুরসভা সূত্রের খবর, যেহেতু করোনাজয়ীদের শরীরে ইতোমধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গিয়েছে, তাই তাঁদের পুনরায় সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা কম। সেই কারণেই এঁদের কাজে লাগানো হবে বলে জানানো হয়েছে। অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকবে ওই কল সেন্টার। তিনটি শিফটে সেখানে উপস্থিত থাকবেন করোনাজয়ীরা। সেখান থেকে পাওয়া যাবে টেলি মেডিসিনের সুবিধাও। ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে আক্রান্তদের ওষুধ দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে তাঁদের হাসপাতালে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবেন করোনাজয়ীরা। প্রয়োজনে বাইকে করেই হাসপাতালে আক্রান্তদের পৌঁছে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: কলকাতা ও বনগাঁ হাসপাতালে অমানবিকতা, করোনার ভয়ে না ছোঁয়ায় মৃত ২

উল্লেখ্য, রবিবার উত্তর কলকাতার শ্যামপুকুর থানা এলাকার বৃন্দাবন মল্লিক লেনের নিজের বাড়িতে সংজ্ঞাহীন হয়ে প্রায় ৬ ঘণ্টা পড়ে ছিলেন এক বৃদ্ধা। কিন্তু তাঁকে ছুঁয়েও দেখেননি তাঁর পরিজন ও পড়শিরা। বাড়িতে এক চিকিৎসককে ডাকা হলেও আসতে রাজি হননি তিনিও। শেষ পর্যন্ত মারাই গিয়েছেন ওই বৃদ্ধা। আবার বনগাঁর বাসিন্দা মাধবনারায়ণ দত্তের ঘটনাও একই রকম মর্মান্তিক। করোনা হয়েছে ওই ব্যক্তির, এই সন্দেহে তাঁকে সামান্য স্ট্রেচারটুকু দিয়ে পর্যন্ত সাহায্য করেননি বনগাঁ হাসপাতালের কোনও কর্মী। বাধ্য হয়ে ভদ্রলোকের স্ত্রী কোনও মতে স্বামীকে নীচে নামিয়ে আনেন। কিন্তু অ্যাম্বুল্যান্সে ওঠাতে সাহায্য করেনি কেউ। পাশেই পিপিই পরিহিত ব্যক্তি থাকলেও সাহায্য করেননি তিনিও। ওই ভাবেই আধঘণ্টা পড়ে থেকে মৃত্যু হয় মাধব বাবুর। অপরদিকে, বেহালার সাহাপুরে করোনা আক্রান্ত হয়ে এক মৃত্যু হলেও তাঁর দেহ বাড়িতে পড়ে রইল প্রায় ১৫ ঘণ্টা। শেষে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় উদ্যোগী হলে ওই ব্যক্তির শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। এই ধরনের ঘটনা যাতে করোনা আবহে আর না হয়, সেই কারণেই করোনাজয়ীদের কাজে লাগাতে চাইছে কলকাতা পুরসভা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

CM ममता बनर्जी का दावा, कोरोना के खिलाफ जंग में ढाई हजार करोड़ रुपये खर्च कर चुकी राज्य सरकार

Mon Jul 27 , 2020
कोलकाता। पश्चिम बंगाल की मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने सोमवार को दावा किया है कि राज्य सरकार कोरोना वायरस के खिलाफ जंग में अब तक ढाई हजार करोड़ रुपये खर्च कर चुकी है। सोमवार को प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी ने नोएडा, मुंबई और कोलकाता के नाइसेड में अत्याधुनिक कोरोना सैंपल जांच लेबोरेटरी […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts