হাইলাইটস
- তৃণমূল নেত্রীর সেই ডাকের আগে থেকেই অবশ্য বিজেপি-সহ অন্যান্য দল থেকে তৃণমূলে ফের ‘ঘর ওয়াপসি’ শুরু হয়েছে।
- তৃণমূলে যোগ দিলেন আসানসোলের সমাজকর্মী চন্দ্রশেখর কুণ্ডু।
- চন্দ্রশেখর কুণ্ডুর সঙ্গে এদিন প্রায় ৫৫০ জন কংগ্রেস কর্মীও তৃণমূলে যোগ দিলেন।
চন্দ্রশেখর কুণ্ডুর বিষয়ে অবশ্য এটুকু বললে কিছুই বলা হয় না। আসানসোল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সঙ্গে যুক্ত থাকা চন্দ্রশেখর দীর্ঘদিন ধরে পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ করছেন। উম্পুনের পর দিনের পর দিন পড়ে থেকেছেন সুন্দরবনে। গরিব, অসহায় মানুষদের মুখে তুলে দিয়েছেন খাবার, তৈরি করে দিয়েছেন ঘর। শুধু কি তাই, অসহায়দের দু’মুঠো ভাত তুলে দিতে খুলেছেন ফুড ব্যাংক। বিভিন্ন রেস্তোরাঁ বা অনুষ্ঠান বাড়ির বেঁচে যাওয়া খাবার তিনি তুলে দেন অসহায়দের জন্যে। একইসঙ্গে অভাবের সংসারের স্কুলছুট শিশুদের ফের স্কুলে যাওয়ার ব্যবস্থা করে চলেছেন তিনি। সঙ্গে রয়েছে যৌন কর্মীদের নিয়েও নিরলস কাজ।
সেই তিনিই এদিন যোগ দেন তৃণমূলে। দলের রাজ্য দফতরে তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর মতো একজন জনদরদী মানুষ তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় ‘কঠিন’ আসানসোলে রাজ্যের শাসকদল বেশ কিছুটা অ্যাডভান্টেজ পাবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
বেশ কিছু দিন ধরেই অন্য দলের নেতা কর্মীরা যোগ দিচ্ছেন রাজ্যের শাসক দলে। একদিকে যেমন পুরনো নেতা-কর্মীদের দলে ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে, তেমনি নতুনদেরও আনা হচ্ছে দলে। চন্দ্রশেখর কুণ্ডুর সঙ্গে এদিন প্রায় ৫৫০ জন কংগ্রেস কর্মীও তৃণমূলে যোগ দিলেন। বাঁকুড়ার কংগ্রেস নেতা অরুণ পাঠকের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক কংগ্রেস কর্মী যোগ দিলেন শাসকদল। সে সময় উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়ার তৃণমূল সভাপতি শ্যামল সাঁতরা এবং চেয়ারম্যান শুভাশিস বটব্যাল। লোকসভা ভোটে বাঁকুড়াতে কার্যত উড়ে গিয়েছে তৃণমূল। আজকের যোগদান তাই বাঁকুড়ায় তৃণমূলকে কিছুটা হলেও অ্যাডভান্টেজ দেবে।
আরও পড়ুন: বাঙালির দল হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা, রবি-প্রণামকে হাতিয়ার করে ভোটের অঙ্ক বিজেপির
অপরদিকে, বিজেপিও এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঢংয়েই দলবদলের ডাক দিয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসের অনুষ্ঠানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ঘোষণা করেন, ‘আজ থেকে ফের নতুন করে সদস্য সংগ্রহ শুরু হল আমাদের। ইতোমধ্যে বাংলায় আমাদের ৯৫ লক্ষ সদস্য রয়েছে। এবার আমাদের লক্ষ্য আগামী তিন মাসে তিন কোটি সদস্য সংগ্রহ।’ সেই সূত্রেই তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক পরিবার বিজেপি। সকলকে সেই পরিবারের অংশ হওয়ার আবেদন করছি।’
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
