BPCL: মার্চের মধ্যেই ভারত পেট্রলিয়ামের বিলগ্নিকরণ, ব্যয় বরাদ্দ কমল ৩৬% – bpcl privatisation likely to be completed in the current financial year

হাইলাইটস

  • চলতি ২০২০-২১ আর্থিক বছরের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ভারত পেট্রলিয়ামের বেসরকারিকরণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে মোদী সরকার।
  • তাদের আগামী বছরের ব্যয় বরাদ্দ ৩৬ শতাংশ হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত এই তেল সংস্থাটি।
  • বিপিসিএলের ৫৩.৩ শতাংশ অংশীদারিত্ব বর্তমানে সরকারের হাতে আছে।

এই সময়: করোনার প্রভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থা ভারত পেট্রলিয়াম (বিপিসিএল) তাদের আগামী বছরের ব্যয় বরাদ্দ এক ধাক্কায় ৩৬ শতাংশ কমিয়ে ৮,০০০ কোটি টাকায় নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। করোনা-লকডাউনের জেরে চাহিদা উবে গিয়েছে। এদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম তলানিতে নেমে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে লাভ কমেছে তেল সংস্থাগুলির। ফলে বিশ্বের ছোট-বড় প্রায় সব তেল সংস্থাই ব্যয় সংকোচনের পথে হাঁটছে।

সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে বিপিসিএলের চিফ ফিনান্স অফিসার এন বিজয়গোপাল বলেন, ‘আমরা আমাদের সমস্ত নির্মীয়মাণ প্রকল্প, বিশেষ করে ছোট প্রকল্পগুলি, পর্যালোচনা করে দেখেছি এই মুহূর্তে কোনগুলির গুরুত্ব বেশি, কোনগুলির কম। কম গুরুত্বের প্রকল্পগুলির জন ব্যয় বরাদ্দ ২০২০-২১ অর্থ বছর থেকে পিছিয়ে ২০২২-২৩ করা হবে।’

বিজয়গোপালের কথায়, ১৫০ কোটি টাকার কম লগ্নির প্রকল্পগুলিতে বিনিয়োগ পরের বছরে পিছিয়ে দেওয়া হবে যাতে সংস্থার পেট্রো-রসায়ন এবং পরিশোধন ব্যবসার সম্প্রসারণে বেশি নজর দেওয়া যায়।

করোনা-লকডাউনের প্রভাবে পেট্রল-ডিজেলের চাহিদা ও ওই জ্বালানি তৈরির মুনাফা কমে যাওয়ায় বিপিসিএলের তেল পরিশোধন ইউনিটগুলি বর্তমানে তাদের পূর্ণ ক্ষমতার মাত্র ৭০ শতাংশ থেকে ৭৫ শতাংশ ব্যবহার করছে। তবে, বিলগ্নিকরণের জন্য চিহ্নিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাটি আগামী মার্চের মধ্যে গোটা দেশে ১০০০টি নতুন পেট্রল পাম্প খুলবে বলে বিজয়গোপাল জানান। চলতি অর্থ বছরের মধ্যেই সংস্থার বিলগ্নিকরণ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন: শুরু বিক্রির তোড়জোড়, কর্মীদের জন্য VRS প্রকল্প চালু করল ভারত পেট্রোলিয়াম

ভারতের তেলের বাজার বহুজাতিক সংস্থাগুলির জন্য খুলে দিতে বদ্ধপরিকর মোদী সরকার। এক্ষেত্রে সরকারের যুক্তি, দীর্ঘদিন থেকে ঘরোয়া বাজারে তেল ব্যবসা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির দখলে। যার ফলে এই ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার অবকাশ কম। ভারতের বাজারে বিদেশি সংস্থা প্রবেশ করলে সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি হবে। যার ফলে সামগ্রিকভাবে এই ক্ষেত্র লাভবান হবে। বিপিসিএলের ৫৩.৩ শতাংশ অংশীদারিত্ব বর্তমানে সরকারের হাতে আছে। এর পুরোটাই বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার। জুলাই মাসে কর্মীদের জন্য স্বেচ্ছাবসর প্রকল্প চালু করেছে তারা। অংশীদারিত্ব বিক্রির ফলে কেন্দ্র ঘরে ৬০,০০০ কোটি টাকা ঢুকতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রকের কর্মকর্তাদের আশা।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Sensex tanks 433 points; Nifty gives up 11,200 level - business news

Fri Aug 14 , 2020
Domestic equity benchmark Sensex plunged 433 points on Friday, tracking heavy losses in banking, consumption and auto stocks amid a selloff in global markets. Tanking 663 points from the day’s high, the 30-share BSE index settled 433.15 points or 1.13 per cent lower at 37,877.34. The broader NSE Nifty slumped […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts