সূত্রের খবর, সিসিটিভি ফুটেজে আরও দেখা গিয়েছে, ওই দুষ্কৃতী দোকানের মালিককে লক্ষ্য করে গুলিও ছোড়ে। তবে এই ঘটনা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। পরে ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে পুলিশ একটি দেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, একটি খালি কার্তুজ, তিন রাউন্ড গুলি ও একটি ছুরি উদ্ধার করেছে।
মৃত ব্যক্তি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্যস্তরের মহিলা মোর্চা প্রেসিডেন্ট তথা বর্তমানে দলের রাজ্যস্তরের এগজিকিউটিভ কমিটির সদস্যের ছেলে। ভি ভালাউলিকর রোড থেকে স্বপ্না প্লাজার দিকে যেতে ব্যস্ততম এলাকায় গয়নার দোকান। সেখানে দিনের আলোয় কীভাবে এত বড় ঘটনা ঘটে গেল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বুধবার বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ, দোকানের বিতর থেকে বেশ কয়েকজনের চেঁচামেচি শোনা গিয়েছিল। তারপরই দোকান থেকে রক্তাক্ত ছুরি নিয়ে দ্রুতগতিতে ছুটে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতী। বেশ কয়েকজন আবার এই ঘনার কিছু ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেয়। তারপর থেকেই গোয়ার বিভিন্ন এলাকায় বিরোধীতা করতে দেখা যায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। ওই ভিডিয়োগুলিতে হামলাকারী ও তিনজনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছিল। তবে এখনও বোঝা যায়নি য়ে এই ঘটনায় কে বা কারা যুক্ত রয়েছে। ঘটনার সময় কতজনই বা জড়িতে ছিল, তাও তদন্তসাপেক্ষ বলে জানা গিয়েছে। তব সব দিকে খতিয়ে দেখেই পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে স্নিফার কুকুরও।
মারাগাও থানার পুলিশ এই ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুসারে ৩০২ ধারা মামলা দায়ের করেছে। এছাড়া বেআইনি অস্ত্র রাখার কারণে ৩ ও ২৫ নং ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তের নৃশংস কীর্তিতে অবাক পুলিশে অফিসারেরাও।
বিজেপির কার্যকরী শর্মাদ রাইতুরকার টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে জানিয়েছেন, ঘটনার পিছনে কে বা কারা রয়েছে, তা এখনও জানা সম্ভব হয়নি। কিন্তু সেইসময় রাস্তায় যাঁরা ছিলেন তাঁরা দেখেছেন এক ব্যক্তি ছুরি নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। প্রথমে বুঝতে না পারলেও পরে ওই ব্যক্তিকে ধরার জন্য স্থানীয়রা ধাওয়া করে। কিন্তু অপরাধী হাতের নাগালে চলে যায়। হাতে ছুরি থাকার জন্য কেউই তেমন সাহস করে এগিয়ে যেতে পারেনি। তাকে লক্ষ্য করে কয়েকজন ইট-পাটকেল ছুড়লেও সে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন–
