২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে চোরাশিকারীদর ফাঁদে পড়ে একটি পূর্ণবয়স্ক রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার মারা যায়। তার পর থেকেই প্রকাশ্যে আসে, ওই সব এলাকায় ফাঁদ পেতে ব্যাপক হারে চোরাশিকার চালাচ্ছে এক বা একাধিক চক্র। এর পরই চোরাশিকারীদের ধরার জন্য অভিযান চালায় বন দফতর। আর সেই অভিযানের সময় বন দফতরের আধিকারিকরাও আক্রান্ত হয়েছিলেন। চোরাশিকারিদের ধরতে অভিযান চালায় বনদফতর। অভিযুক্তরা ধরাও পড়ে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ফের একই ঘটনা ঘটে চলেছে। সম্প্রতি গরুমারায় একটি বাইসন হত্যা করে কয়েকজন যুবক। সেই মাংস দিয়ে ভুরিভোজও সারে তারা।
দক্ষিণ ২৪ পরগণার ডিএফও মিলন মণ্ডল বলেছেন, ‘ফাঁদ পেতে বন্য প্রাণীদের শিকার করার পিছনে কে বা কারা রয়েছে তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। আজমলমারি দুনম্বর কম্পার্টমেন্টে দুদিন আগে হরিণটিকে মারা হয়েছিল। ফাঁদ পেতে হরিণটিকে মারা হয়েছিল। বছর দেড়েক আগে হরিণ মারার ফাঁদে পড়ে একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার মারা গিয়েছিল। তা ছাড়া এই ধরণের ফাঁদে পড়ে অনেক বন্য প্রাণীর মৃত্যু হচ্ছে। এই চোরাশিকার বন্ধের জন্য বন দফতর সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে’।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
