হাইলাইটস
- দিল্লিতে এক মাসে অ্যাক্টিভ করোনা রোগী বেড়েছে ১৯০ শতাংশ
- এক মাসে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ৮৪ হাজার ৮৭ জন
- ৪ অগস্ট প্রথম বার দিল্লিতে অ্যাক্টিভ আক্রান্ত ১০ হাজারের নীচে নেমে আসে
- ১৮ অগস্ট অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১,০৬৮
- ১৮ সেপ্টেম্বর অ্যাক্টিভ আক্রান্ত বেড়ে হয় ৩২,২৫০
- হাসপাতালগুলিতে কোভিড বেডের চাহিদা বেড়েছে ৩৫ শতাংশ
অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৮ অগস্ট দিল্লিতে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১,০৬৮। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সেই অ্যাক্টিভ আক্রান্ত বেড়ে হয়েছে ৩২,২৫০। গত জুনেও একবার এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ১ জুনের রিপোর্টে দিল্লিতে অ্যাক্টিভ আক্রান্ত ছিল ১১,৫৫৫। ২৭ জুন তা বেড়ে হয়েছিল ২৮,৩২৯। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে অ্যাক্টিভ আক্রান্ত নেমে আসে ১০ হাজার ৭০৫ জনে।
৩০ মে থেকে হিসেবে ধরলে ৪ অগস্ট প্রথম বার দিল্লিতে অ্যাক্টিভ আক্রান্ত ১০ হাজারের নীচে নেমে আসে। স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য জানাচ্ছে, ওই দিন অ্যাক্টিভ আক্রান্ত কমে দাঁড়ায় ৯,৮৯৭ জনে। সেইসঙ্গে দৈনিক নতুন আক্রান্তের সংখ্যাকে ছাপিয়ে যায় সুস্থতার হার।
যে সময় বিশেষজ্ঞরা মনে করেছিলেন সংক্রমণের সংখ্য়া আরও নীচে নামবে, তখনই সহ হিসেব গুলিয়ে ফের নতুন করে অ্যাক্টিভ আক্রান্ত বাড়তে থাকে। ২৯ অগস্ট আপ সরকার জানিয়েছিল, অ্যাক্টিভ আক্রান্ত ১৪,০৪০ জন। ১ সেপ্টেম্বর ছিল ১৫,৮৭০। ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংখ্যাটা লাফিয়ে বেড়ে হয় ২০,৯০৯। ১০ সেপ্টেম্বরের রিপোর্টে অ্যাক্টিভ আক্রান্ত ২৫,৪১৬ জন। ১৬ সেপ্টেম্বর প্রথমবার দিল্লিতে অ্যাক্টিভ করোনা আক্রান্ত ৩০ হাজারের (৩০,৯১৪) গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়।
১৮ অগস্ট থেকে জাতীয় রাজধানীতে দৈনিক গড় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২,৭১২। আবার ১ সেপ্টেম্বর থেকে দৈনিক গড় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয় ৩,৪৩১।
দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী (Delhi Health Minister) সত্যেন্দর জৈনের (Satyendar Jain) দাবি, টেস্টিংয়ের হার বাড়ার কারণেই রাজধানীতে নতুন করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। গত সোমবার দিল্লিতে ৬২,৬৬৯ নমুনার টেস্ট হয়েছিল। মঙ্গলবার ৬২,৫৩৯ টি টেস্ট হয়েছে। বুধবার টেস্টের সংখ্যা ছিল ৬০,০১৪। বৃহস্পতিবার ৬১,০৩৭ নমুনার টেস্ট হয়েছে। তিনি জানান, গত জুন মাস থেকে দিল্লিতে রোজ গড়ে ১২ হাজার করে টেস্ট হয়েছে।
সরকারি হিসেব অনুযায়ী, শুক্রবার নতুন করে ৪,১২৭টি পজিটিভ কেস ধরা পড়ে। বৃহস্পতিবার পজিটিভ কেস ধরা পড়েছিল ৪.৪৩২টি। সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ দৈনিক সংক্রমণ ধরা পড়ে বুধবার– ৪,৪৭৩টি। মঙ্গলবার নতুন সংক্রামিত ছিল ৪,২৬৩ জন।
রাজধানীতে করোনা সংক্রমণের হার বাড়ার কারণে হাসপাতালগুলিতে বেডের চাহিদাও ৩৫ শতাংশ বেড়ে যায়।
