এর আগে চলতি মাসের ১১ তারিখে কম্পন অনুভূত হয় মহারাষ্ট্রের পালঘর জেলা। পৃথক পৃথক সময়ে মহারাষ্ট্রের নাসিক এবং মুম্বইয়ের অদূরে ভূকম্পন অনুভূত হয়। ওই দিন ভোররাত ৩.৫৭ মিনিট নাগাদ প্রথমে ৩.৫ তীব্রতার ভূকম্পন অনুভূত হয় পালঘর জেলায়, মুম্বই থেকে ৯৮ কিলোমিটার উত্তরে। ভূমিকম্পের উত্সস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে।
এরপর ওই দিনই আবার সকাল ৭.০৬ মিনিট নাগাদ ফের কেঁপে ওঠে পালঘর জেলা। কম্পন টের পাওয়া যায় নাসিক থেকে ১০০ কিলোমিটার পশ্চিমে, ভূমিকম্পের উত্সস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ৫ কিলোমিটার গভীরে। মৃদু তীব্রতার ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনার তিন দিন আগেও কেঁপে উঠেছিল মুম্বই। ওই দিন সকাল ৮ টা ৭ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি সূত্রে খবর কম্পনের তীব্রতা ছিল রিখটার স্কেলে ৩.৫। সূত্রের খবর, মুম্বইয়ের ১০২ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল। গত কয়েক দিন বারবার কেঁপে উঠেছে মহারাষ্ট্র। এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রে নাসিকের পশ্চিমে ভূমিকম্প হয়৷ রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ৪.০ ছিল ম্যাগনিটিউড। এ ছাড়া সেপ্টেম্বরের প্রথম দিনই দু’বার ভূকম্পন অনুভূত হয় মহারাষ্ট্রে। ওই দিন দুপুর ৩টে ৪৭ মিনিট নাগাদ কেঁপে ওঠে এই অঞ্চলটি। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ২.৫। ওই একই দিনে সকাল ৭টা বেজে ১৬ মিনিট নাগাদ মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলায় কোয়েনার কাছে ভূকম্পন অনুভূত হয়।
লকডাউনের মধ্যে গত কয়েক মাস ধরেই দেশের নানা প্রান্তে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। কিছুদিন আগেই হিন্দুকুশ পার্বত্য এলাকায় ভুমিকম্প হয়। যার প্রভাব পড়ে দিল্লি, পঞ্জাব এবং জম্মু ও কাশ্মীরের একাংশ। কয়েকদিন আগে পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ার কৃষ্ণনগরেও অল্প দিনের ব্যবধানে দুই দুবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। অগস্টের শেষের দিকে অরুণাচল প্রদেশের অনজো এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
