nation News : অসমে বজ্রপাতে একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু – lightning strikes in assam, kills 5 of same family

হাইলাইটস

  • অসমে বাজ পড়ে মৃত ৫
  • মৃতরা সকলে একই পরিবারের
  • ৪ জনই ছোট
  • আহত আরও ২
  • রাতাবাড়ি বিধানসভা এলাকার ইশাখৌরী গ্রামের ঘটনা

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শুক্রবার সন্ধ্যায় অসমের করিমগঞ্জ জেলায় বজ্রপাতে একই পরিবারের পাঁচ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মৃত পাঁচ জনের মধ্যে চার জনই নাবালক। জখম হয়েছেন আরও দু’জন। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে অসমের রাতাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত রামকৃষ্ণনগর থানা এলাকার ইশাখৌরী গ্রামে।

মৃতদের নাম ইসলাম উদ্দিন (৫০), আনওয়ার হুসেন (১২), শরিফ উদ্দিন (১২), দিলওয়ার হুসেন (১০) ও অবিধা বেগম (৯)।

পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সময় পরিবারের সকলে বাড়ির ভিতরেই ছিলেন। কাঁচাবাড়ির ছাদ ভেদ করে বাজ পড়লে, ঘটনাস্থলেই পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। পরিবারের আরও দু-জনের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। তারাও নাবালক। করিমগঞ্জ সিভিল হাসপাতালে ((Karimganj civil hospital) তাদেরব চিকিত্‍‌সা চলছে।

রাতাবাড়ি কেন্দ্রের বিধায়ক বিজয় মালাকার একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। বিধায়ক জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়েই তিনি করিমগঞ্জ জেলার ডেপুটি কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলে, আহতদের চিকিত্‍‌সার ব্যবস্থা করেছেন।

তবে, স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে আহতদের চিকিত্‍‌সা ঠিকমতো হচ্ছে না।

প্রতিবছর বজ্রপাতে সবথেকে বেশি মৃত্যু হয় মে থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে। তবে, ওডিশা কিন্তু নতুন এক সতর্কতা ব্যবস্থা গড়ে তুলে, বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে সাফল্য পেয়েছে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে প্রতিবছর বহু মানুষ বজ্রপাতে মারা যায়। তা মাথায় রেখে ওডিশা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় নতুন এক সিস্টেম গড়ে তোলে। ঝড়বৃষ্টির মতোই বজ্রপাতের আগাম সতর্কতা জারি করে, মৃতের সংখ্যা ৩১ শতাংশ কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে ওডিশা।

সিস্টেম থেকে সতর্কবার্তা পাওয়ার পরেই যে এলাকায় বাজ পড়তে পারে, সেখানকার বাসিন্দাদের মোবাইলে এসএমএস করে সাবধান করে দেওয়া হয়। তা ছাড়া, স্থানীয়ভাবে সাইরেন বাজিয়েও সতর্ক করা হচ্ছে।

রাজ্যের এক রিপোর্ট জানা গিয়েছে, ২০১৭- ১৮ সালে ওডিশায় ৪৬৫ জন বজ্রপাতে মারা গিয়েছিলেন। ২০১৮-১৯ সালে মৃত্যু হয়েছে ৩২০ জনের। গত কয়েক বছরের মধ্যে ২০১৯ সালেই প্রথম বজ্রপাতে মৃত্যু সংখ্যা ৪০০-র নীচে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়।

কী ভাবে বজ্রপাতের আগাম তথ্য পাওয়া যাচ্ছে? রাজ্যের ৬টি জায়গায় বসানো হয়েছে মার্কিন সেন্সর। অত্যাধুনিক সেই প্রযুক্তি এক ঘণ্টা আগেই সতর্ক করছে। মেঘের অবস্থান, আকৃতি, হাওয়ার গতিপ্রকৃতির মতো অনেকগুলি প্যারামিটার খতিয়ে দেখে, তা বিশ্লেষণ করে, মোটামুটি কোন এলাকায় বাজ পড়তে পারে, তা আন্দাজ করা হচ্ছে। সেই তথ্য কন্ট্রোল রুমে এলে, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় ওই এলাকায় যতগুলি চালু মোবাইল ফোন রয়েছে, সেখানে এসএমএস ঢুকে যাচ্ছে। এ ছাড়া অ্যাপের মাধ্যমেও জানা যাচ্ছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

Countries failing to stop harmful marketing of breast-milk substitutes, warn WHO and UNICEF

Fri Jun 12 , 2020
A new report by WHO, UNICEF, and the International Baby Food Action Network (IBFAN) reveals that despite efforts to stop the harmful promotion of breast-milk substitutes, countries are still falling short in protecting parents from misleading information. The COVID-19 pandemic highlights the need for stronger legislation to protect families from […]

You May Like

Breaking News

Recent Posts