হাইলাইটস
- তদন্তের স্বার্থে সুশান্ত বাদে বাকি সবার ফোনের কললিস্ট চেক করা হল।
- সুশান্তকে মাদক সরবরাহের জন্য তাদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে।
- অথচ সুশান্তের ফোন একবারও ঘেঁটে দেখা হল না।
- সুশান্তের কথামতো আমি মাদক কিনেছি।
- নিজে কোনওদিন নিইনি। আমি তো কোনও অন্যায় করিনি
রিয়া ও শৌভিকের অইনজীবী সতীশ মানশিন্দে বম্বে হাইকোর্টে দুই ভাইবোনের জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু বুধবার খুব বেশি বৃষ্টি থাকায় সেই শুনানি হয়নি। জামিনের আর্জিতে রিয়া জানিয়েছেন, সুশান্ত নিজেই যে শুধু ড্রাগ নিতেন এমন নয়। বাড়ির বাকি সদস্যদেরও মাদক সংগ্রহ কার জন্য নির্দেশ দিতেন। রিয়া আরও জানান, ‘সুশান্ত বেঁচে থাকলে যদি ওঁর বিরুদ্ধে ড্রাগ নেওয়ার এই অভিযোগ উঠত তাহলে ওকেও জেলে যেতে হত। হয়তো ওর সাজা হত জামিনযোগ্য এবং খুব বেশি হলে এক বছরের কারাদন্ড হত। সুশান্ত আমার ভাইকেও সুযোগ পেয়ে ব্যবহার করেছে। নীরজকে প্রায়ই সুশান্ত অর্ডার করত ওঁর জন্য গাঁজা বানিয়ে রাখার জন্য। মৃত্যুর তিনদিন আগেও সউসান্তের নির্দেশে একটি বাক্সে গাঁজা ভরে রেখেছিল নীরজ। ওঁর মৃত্যুর পর বেডরুম থেকেই সেই খালি বাক্স পাওয়া যায়। এর থেকেই বোঝা যায়, নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য কীভাবে ও সবাইকে ব্যবহার করত’।
জামিনের আবেদন পত্রে রিয়া আরও লিখেছেন, ‘তদন্তের স্বার্থে সুশান্ত বাদে বাকি সবার ফোনের কললিস্ট চেক করা হল। সুশান্তকে মাদক সরবরাহের জন্য তাদের শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। অথচ সুশান্তের ফোন একবারও ঘেঁটে দেখা হল না। সুশান্তের কথামতো আমি মাদক কিনেছি। নিজে কোনওদিন নিইনি। আমি তো কোনও অন্যায় করিনি। বড় দাদার মতো শৌভিকের সঙ্গে মিশত সুশান্ত। ওঁদের দুজনের পছন্দ একই রকম ছিল। বুদ্ধি করে আমার ভাইকেও ব্যবহার করে নিল’।
আরও পড়ুন
কথা শুরু আইনজীবীদের সঙ্গে, শুক্রে NCB-র মুখোমুখি দীপিকা?
এদিকে ড্রাগ কাণ্ডে দীপিকা পাড়ুকোন, সারা আলি খান, শ্রদ্ধা কাপুর এবং রাকুল প্রীতের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে NCBএর সমন। এই সপ্তাহেই এনসিবির দফতরে হাজিরা দেবেন তাঁরা।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।