সিএমআইই-র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টে সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম তিন সপ্তাহের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া সপ্তাহে জাতীয় বেকারত্বের হার ছিল ৬.৩৫ শতাংশ এবং শহুরে বেকারত্বের হার ছিল ৮.৮৩ শতাংশ। তবে গোটা মাসের পরিসংখ্যান জাতীয় বেকারত্বের হার বেড়েছে (৬.৬৭ শতাংশ) এবং শহুরে বেকারত্বের হারের উন্নতি দেখা গিয়েছে (৮.৮৫ শতাংশ)।
স্বাস্থ্য বিধি এবং শারীরিক দূরত্ব মেনে দেশে ধীরে ধীরে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কলকারখানা, পরিবহণ, দোকান-বাজার, সিনেমা হল, শপিং মল-রেস্তোরাঁ প্রভৃতি খুলে গিয়েছে। সেপ্টেম্বরে দেশের কলকারখানাগুলিতে কাজকর্ম গত আট বছরে সবচেয়ে দ্রুত বেড়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংস্থা আইএইচএস মার্কিট। ফলে, কাজ হারানো কর্মীরা আবার নিয়োগকর্তার থেকে কাজে যোগ দেওয়ার ডাক পেতে শুরু করেছেন। সেই ছবিই প্রতিফলিত হচ্ছে শ্রমের বাজারে। এমনই মত বিশেষজ্ঞদের।
আরও পড়ুন: কেনার ইচ্ছে থাকলে আর দেরি নয়, মোবাইলের দাম বাড়তে চলেছে
গত ২৫ মার্চ থেকে করোনা মোকাবিলায় গোটা দেশে লকডাউন জারি করা হয়। দুম করে ব্যবসা-বাণিজ্য, কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এপ্রিল মাসে প্রায় ১২ কোটির বেশি মানুষ কাজ হারান বলে সিএমআইই জানিয়েছিল। এর পর, ২০ এপ্রিল থেকে সরকার ধীরে ধীরে লকডাউন শিথিল করা শুরু করে। কিন্তু, তৃতীয়-চতুর্থ দফার লকডাউন শিথিলের আগে শ্রমের বাজারে তার কোনও উল্লেখযোগ্য প্রভাব চোখে পড়েনি। গত ৩ মে শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশে বেকারত্বের হার ছিল ২৭.১১ শতাংশ। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ২৯.২২ শতাংশ। আর দেশের গ্রামাঞ্চলে তখন ২৬.৬৯ শতাংশ মানুষ বেকার হয়ে পড়েছিলেন।
আরও পড়ুন: রান্নার গ্যাস, মেডিক্লেম থেকে ক্রেডিট-ডেবিট কার্ড! অক্টোবরে বদলে গেল ১০ নিয়ম…
বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এ ছাড়া আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গ-সহ আরও বেশ কয়েকটি রাজ্যে ভোট আছে। তার আগে বেকারত্বের হার হ্রাসের বিষয়টি কেন্দ্রের কাছে যে স্বস্তিদায়ক, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
