এর পরই গ্রামবাসীরা চড়াও হয়ে রমাবতী ও বিজয়কে পিটিয়ে মারে বলে অভিযোগ। কাছের পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে, রশ্মির কবরের খুব কাছে তাঁদের মাথা কেটে আগুন ধরিয়ে দেয় গ্রামবাসীরা। বৃহস্পতিবার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক এবং এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জিন্টু বোরা। সেখান থেকে পোড়া দেহাংশ ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়। মামলা দায়ের করে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে।
অসমের বিভিন্ন জনপদে এখনও ডাইনি সন্দেহে মানুষ খুন করার প্রবণতা রয়েছে। ২০০১ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে অসমে ডাইনি সন্দেহে খুন হয়েছেন ১৯৩ জন। এরমধ্যে ৭৯ জন পুরুষ এবং ১১৪ জন মহিলা। গত আগস্ট মাসেও চিরাং জেলায় তিনজনকে ডাইনি সন্দেহে গ্রামবাসীরা পিটিয়ে খুন করার চেষ্টা করে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁরা প্রাণে বাঁচেন। ডাইনি অপবাদে নৃশংস হত্যাকাণ্ড রুখতে রাজ্য সরকার আইন সংশোধন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজাও ঘোষণা করেছে। গ্রামবাসীদের সচেতন করতে নেওয়া হয়েছে ‘প্রহরী’ সামাজিক প্রকল্প। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। তারই ফের প্রমাণ মিলল ডোকমোকায়। উল্লেখ্য, বছর দুয়েক আগে এই ডোকমোকাতেই দুই অসমীয়া যুবককে গ্রামবাসীরা ছেলেধরা সন্দেহে পিটিয়ে খুন করে।
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন–
