Maoist: ছত্তীসগঢ়ের বস্তরে অন্তর্দ্বন্দ্বে নিহত বরিষ্ঠ মাওবাদী কম্যান্ডার – chhattisgarh: senior maoist commander shot dead in fratricidal killing in bastar

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: সংগঠনে বিরোধের জেরে ছত্তীসগঢ়ে নিহত মাওবাদীদের সিনিয়র এক কম্যান্ডার। ছত্তীসগঢ় পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে খবর, দক্ষিণ বস্তরের বীজাপুর জেলায় সম্প্রতি অন্তর্দ্বন্দ্বে নিহত হয়েছেন মাওবাদীদের বর্ষীয়ান ওই নেতা। তাঁকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় মাওবাদীদের একটি দল।

ছত্তীসগঢ় পুলিশের সিনিয়র এক পুলিশকর্তা দাবি করেন, মাওবাদী অধ্যুষিত ছত্তীসগঢ়ের বস্তর (Bastar) ডিভিশনে বিগত তিন দশকের ইতিহাসে এমন ঘটনা ঘটেনি। এই বস্তর ডিভিশনের মধ্যে রয়েছে কাঙ্কের, কোন্ডাগাঁও, বীজাপুর, সুকমা, দন্তেওয়াড়া, নারায়ণপুর ও বস্তর। ফলে, গোটা ঘটনা নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে।

রাজ্য গোয়েন্দা পুলিশের খবর অনুযায়ী, নিহত মাওবাদী কম্যান্ডারের নাম বিজয় মোদিয়ম ওরফে বদরু। তিনি ছিলেন সিপিআই (মাওবাদী)-র গঙ্গালুর এরিয়া কমিটির ডিভিসি সদস্য। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বীজাপুর জেলার চিতবরের জঙ্গলে দলীয় ক্যাডারদের গুলিতে নিহত হন বিজয় ওরফে বদরু।

গঙ্গালুর এরিয়া কমিটির সম্পাদক দীনেশ মোদিয়মের সঙ্গে বিরোধের জেরেই মাওবাদীদের ওই কম্যান্ডারকে গুলি করা হয় বলে পুলিশের দাবি। যে বিরোধের পিছনে রয়েছে বীজাপুরে সম্প্রতি দু’টি খুনের ঘটনা। পুলিশের চর আখ্যা দিয়ে দুই স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকে একই দিনে কয়েক ঘণ্টার তফাতে নৃশংস ভাবে পরিবারের সদস্যদের সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তা নিয়ে দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্বেই এই ঘটনা বলে পুলিশ দাবি করে।

আরও পড়ুন: হাথরস গণধর্ষণ মামলা সিবিআই হাতে
সূত্রের খবর, বদরুর দেহ পরে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বীজাপুর জেলার মানকেলি গ্রামে নিহত মাও কম্যান্ডের বাড়ি। সেখানেই তাঁর শেষকৃত্য হয়েছে। বস্তর রেঞ্জের ইনস্পেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ পি সুন্দররাজ বলেন, ‘দক্ষিণ বস্তর রেঞ্জের এই ঘটনা পুলিশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ঘটনার আরও বিশদ জানার চেষ্টা করছি।’

আরও পড়ুন: বিহারে বিরোধীদের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তেজস্বী, কংগ্রেস পেল ৭০ আসন

বিগত এক মাসে বীজাপুরে কমপক্ষে ১০ জনকে পুলিশের চর হিসেবে সন্দেহ করে খুন করে মাওবাদীরা। বৃহস্পতিবার দু’টি ভিন্ন ঘটনায় মাওবাদীদের হাতে নিহত হন বস্তরের দুই স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা। দু’টি ঘটনাই ঘটে বীজাপুরে। নিহতদের একজন বীজপুরের লোকাল বিজেপি নেতা। অপর জন, জনতা কংগ্রেস ছত্তীসগঢ়ের (JCC) নেতা। এই দুই নেতাকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে। খুনের ধরন দেখে বস্তর পুলিশের ধারণা, এটা মাওবাদীদেরই কাজ।

বস্তর পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জনা ১২ সশস্ত্র মাওবাদী চড়াও হয়েছিল ধর্মেন্দ্রর বাড়িতে। বছর ৪২-এর ধর্মেন্দ্র কোরসা বারদেলা গ্রামের প্রাক্তন সরপঞ্চ। এলাকার জনপ্রিয় বিজেপি নেতাও। জায়গাটি বীজপুরের জঙ্গেলা থানার অন্তর্গত। অতর্কিতে হামলা চালিয়ে লোকাল বিজেপি নেতাকে বাড়ি থেকে হিড়হিড় করে বাইরে বের করে আনে সশস্ত্র মাওবাদীদের ওই দলটি। বাড়ির লোকজন ক্ষমাভিক্ষা চাইলেও মাওবাদীরা কোনও আর্জি শোনেনি। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নৃংশস ভাবে তাঁকে কোপানো হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগে ঘটনাস্থলেই মারা যান বিজেপি নেতা।

মাওবাদীদের দাবি, পুলিশের হয়ে চরবৃত্তি করত ধর্মেন্দ্র। মাওবাদীদের গতিবিধির খবরাখবর দিত। তারই শাস্তি তারা দিয়েছে। ঘটনার পর মাওবাদীদের এই দলটি পালিয়ে যায়।

অপর খুনের ঘটনাটি ঘটে জঙ্গেলা থানা এলাকারই গঙ্গালা গ্রামে। জেসিসি নেতা গোপাল কোদিয়াম (২৬)-কে একই কায়দায় খুন করা হয়। বৃহস্পতিবার কাকভোরে গোপালের বাড়িতে হানা দিয়েছিল মাওবাদীদের ওই দলটি। তাঁকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে কুড়ুল ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্রে কুপিয়ে খুন করা হয়। অসহায় ভাবে দেখা ছাড়া পরিবারেরে লোকজনের আর কিছু করার ছিল না। এ ক্ষেত্রেও মাওবাদীরা তাঁকে পুলিশের চর হিসেবে দাগিয়ে দেয়। ঘটনাস্থলেই মারা যান এই আদিবাসী নেতা।

এর আগে নাগায় কোষা নামে পুলিশের ওই অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইনস্পেক্টরকে ৩১ অগস্ট তুলে নিয়ে গিয়েছিল মাওবাদীরা। ডিউটি সেরে বীজাপুর থেকে বস্তর ডিভিশনের দন্তেওয়াড়ার বাড়িতে ফিরছিলেন। সেসময় মাওবাদীদের একটি দল তাঁকে অপহরণ করেছিল। পরদিন বীজাপুরের জেলা পুলিশ সদর দফতর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে, নির্জন এসলাকা থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। তাঁর মৃতদেহের পাশ থেকে মাওবাদীদের লিফলেট পায় পুলিশ। কাজটি যে মাওবাদীদেরই, তা বোঝানোর জন্যই তারা লিফলেট ছড়িয়ে যায়।

এই সময় ডিজিটালের বিনোদন সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

हाथरस कांड को लेकर ममता बनर्जी बीजेपी सरकार पर बरसीं, कह दी ये बड़ी बात

Sat Oct 3 , 2020
पश्चिम बंगाल की मुख्यमंत्री ममता बनर्जी (Mamata Banerjee)ने शनिवार को भाजपा के नेतृत्व वाली केंद्र सरकार पर तीखा हमला करते हुए देश में ‘तानाशाही’ चलाने का आरोप लगाया. Source link

Breaking News

Recent Posts