—একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে চিন নিয়ে কেন্দ্রকে একহাত নিলেন রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি, কেন্দ্রের নীতির কারণেই আগ্রাসন বৃদ্ধি করতে পেরেছে চিন।
—লেহ-তে লুকুং ফরওয়ার্ড এলাকা পরিদর্শন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সেখানে সেনা ঘাঁটিতে তাঁর সামনে মহড়া চলে। লেহ-র স্তাকনায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সেনাপ্রধান এবং CDS-এর সামনে মহড়ায় পাহাড়ে কীভাবে যুদ্ধ করতে হয়, তার ঝলক দেখান ভারতীয় জওয়ানরা।
—আধুনিক অস্ত্র, প্যারা ড্রপিংয়ের পাশাপাশি যুদ্ধে প্রস্তুত ট্যাংকের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর শক্তি প্রদর্শনের সাক্ষী থাকেন রাজনাথ সিং।
—মহড়ার সাক্ষী থাকার পাশাপাশি পিকা (Pika) মেশিনগান হাতে নিশানা করতেও দেখা যায় প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে।
—লেহ-তে পৌঁছলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, সিডিএস বিপিন রাওয়াত ও সেনাপ্রধান এমএম নারাভানে।
—বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানান, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা নিয়ে ভারতের অবস্থান অপরিবর্তিত। তাঁর কথায়, ‘প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার দু’দিকের কিছু পয়েন্টে নিজেদের পোস্টে সেনা পুনঃমোতায়েনে রাজি হয়েছে দুই দেশ।
—তবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা নিয়ে ভারতের অবস্থান বিন্দুমাত্র বদলায়নি। একতরফা ভাবে সেখানে স্থিতাবস্থা বদলের কোনও চেষ্টাই মানা হবে না।’
—সামরিক কর্তারদের ১৫ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকেও প্রথমে শোনা গিয়েছিল প্যাংগং লেকের ফিঙ্গার ৫ থেকে পিছু হঠতে রাজি হয়েছে লালফৌজ। পরে সম্ভবত ভারতের সঙ্গে মতপার্থক্য তৈরি হয়।
—এ দিনের সেনার বিবৃতিতেও ইঙ্গিত, এই চাপানউতোর মিটতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। সূত্রের খবর, বুধবার এই বৈঠকের ফলাফল খতিয়ে দেখেছে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও তিন বাহিনীর প্রতিনিধিদের নিয়ে তৈরি ‘চায়না স্টাডি গ্রুপ’।
—দু’দেশের সম্পর্ক আগামী দিনে কোন পথে এগোবে তা বৈঠকের নির্যাস দেখে ঠিক করবে এই গোষ্ঠীই।