করোনা সংক্রমণ নিয়ে দেশ জুড়ে আতঙ্কের মধ্যেই স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, দেশে কোভিড-মৃত্যুর হার ‘উল্লেখযোগ্য ভাবে কমেছে’।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২৪ হাজার ৪৯১ জন সুস্থ হয়েছেন। মন্ত্রকের হিসেবে অনুযায়ী, এই প্রথম মৃত্যুর হার ২.৫ শতাংশের নীচে নামল। স্বাস্থ্য মন্ত্রক এক বিবৃতিতে বলেছে, বর্তমানে দেশে করোনায় মৃত্যু হার ২.৪৯ শতাংশ। যা কিনা বিশ্বে অন্য দেশগুলির তুলনায় মৃত্যুর হারে নীচের দিকে রয়েছে। ইতোমধ্যেই সুস্থ হয়ে গিয়েছেন ৭ লক্ষ ২৪ হাজার ৫৭৭ জন। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যগুলিকে আরও করোনা পরীক্ষা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং আইসিএমআর।
শুরু থেকেই মহারাষ্ট্রে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে সংক্রমণ। গোড়া থেকেই এই রাজ্য সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে। এর পর রয়েছে তামিলনাডু ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে দিল্লি। তুলনায় রাজধানী দিল্লিতে দৈনিক সংক্রমণে কিছুটা হলেও লাগাম পড়েছে। মহারাষ্ট্রেই মারা গিয়েছেন ১২ হাজার ৩০ জন। মৃত্যুর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা দিল্লিতে প্রাণ গিয়েছে তিন হাজার ৬৬৩ জনের। দু’হাজার ৫৫১ জনের প্রাণহানি নিয়ে মৃত্যু-তালিকার তৃতীয় স্থানে তামিলনাডু।
উল্লেখ্য, রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষার পরে অবশেষে করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিন নিয়ে এমনই স্বস্তির রিপোর্ট দিল ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নাল ‘দ্য ল্যানসেট’। তবে কবে এই ভ্যাকসিন বাজারে আসছে, তার সদুত্তর পাওয়া গেল না। এ বছর কিংবা আগামী বছরের গোড়ায় আদৌ মিলবে তো প্রতিষেধক? রিপোর্ট প্রকাশের আগেই খোদ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বললেন— ‘কথা দিতে পারছি না’!
