নৌবাহিনীর এক আধিকারিক জানান, বর্তমান সুরক্ষা পরিস্থিতি মাথায় রেখে রাশিয়ায় তৈরি এই যুদ্ধবিমানের কয়েকটি গোয়া থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলে ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানঘাঁটিতে সরিয়ে আনা হচ্ছে। আর এক আধিকারিকও জানিয়েছেন, উত্তর ভারতের লাদাখ সেক্টরের বিমানঘাঁটিতে বেশ কয়েকটি MiG-29K যুদ্ধবিমান উড়িয়ে আনা হচ্ছে। তবে, লাদাখে ক’টি যুদ্ধবিমান আসছে, তা পরিষ্কার করে কেউ-ই জানানি।
জানা গিয়েছে, চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল বিপিন রাওয়াতের সঙ্গে পরামর্শ করেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই নির্দেশ দিয়েছেন। তার প্রেক্ষিতেই বেশ কয়েক’টি MiG-29K যুদ্ধবিমান উত্তর ভারতে বায়ুসেনার ঘাঁটিগুলিতে উড়িয়ে আনা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:আপাতত ‘শান্তিচুক্তি’, সীমান্তে সদ্ভাব রাখতে প্রস্তুত চিনও!
এর আগে প্রধানমন্ত্রী স্থলসেনা, বায়ুসেনা এবং নৌ-বাহিনীকে একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই মতোই নৌসেনার হাতে থাকা এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলি নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ভারতের যে বিমানঘাঁটিগুলি আছে, সেখানে মোতায়েন করা হচ্ছে। তবে, নৌ-বাহিনীর ভূমিকা এ ক্ষেত্রে কী হবে, তা তাৎক্ষণিক ভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। এ প্রসঙ্গে নৌ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ক্যাপ্টেন (অবসরপ্রাপ্ত) ডি কে শর্মা বলেন, যদি হাতে আমাদের ‘সম্পদ’ থাকে, অপারেশনাল পাইলট থাকেন, তা হলে আমরা কেন এর ব্যবহার করব না?
Watch: রাতের অন্ধকারেও বায়ুসেনার শ্যেনদৃষ্টি পূর্ব লাদাখে
ভারত মহাসাগরে চিনা সেনার গতিবিধির দিকেও সর্বক্ষণ নজর রাখছে ভারতীয় নৌসেনা। নৌসেনার তরফে এদিন জানানো হয়েছে, ভারত মহাসাগরের দিক থেকে কোনও আক্রমণ ঘটলে, তার জন্য প্রস্তুত আছে নৌ-বাহিনী।
আরও পড়ুন: ভারতের সেনা তো আছেই, তাঁবু উড়িয়ে চিনা ফৌজকে শিক্ষা দিচ্ছে গলওয়ান নদীও!
সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নৌ-মহড়া চালিয়েছে ভারতীয় নৌসেনা। সমর বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনকে চাপে রাখার কৌশল হিসেবেই ছিল এই যৌথ নৌ-মহড়া।
