হাইলাইটস
- করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই প্রবল বড় ও এক নাগাড়ে বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত মুম্বই।
- শহরের বিভিন্ন এলাকা জলের তলায়।
- উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে বুধবার উদ্ধব ঠাকরেকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
অতিবর্ষণের জেরে মুম্বই ও তার পার্শবর্তী এলাকায় উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উদ্ধবের থেকে বিশদে খোঁজখবর নেন তিনি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকারকে সমস্ত ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
আপাতত এই বিপদ কাটার কোনও লক্ষণ নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বরং বৃহস্পতিবারও মুম্বইয়ের বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে তারা। সেইসঙ্গে সকাল ৭টা পর্যন্ত ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাবে। যে কারণে উদ্বেগ আরও বাড়ছে প্রশাসনের অন্দরে। বেশ কয়েকটি এলাকায় অস্থায়ী ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে।
এমনকী ঝড়জলের দাপটে বিপর্যস্ত মুম্বইয়ের লাইফলাইন লোকাল ট্রেন পরিষেবাও। মাঝ পথে আটকে পড়ে দু’টি লোকাল ট্রেন। আরপিএফের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ট্রেনের আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করেন NDRF-এর জওয়ানরা।
বিদ্যুতের মিটার বক্সে জল ঢুকে যাওয়ায় বহু এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা বিদ্যুৎহীন।
দমকা ঝোড়ো হাওয়ায় জওহরলাল নেহরু বন্দরের মোট তিনটি দৈত্যাকার ক্রেন শহর লাগোয়া রায়গড়ে ভেঙে পড়েছে। তবে কেউ হতাহত হননি। মুম্বইয়ের পানীয় জলের একটা বড় অংশের উৎস শহরের দু’টি লেক। আগেই তুলসি লেক ভেসে গিয়েছিল। বুধবার রাত ১০টা নাগাদ বিহার লেকের জল দু’পাড় ছাপিয়ে যায়।
ইংরেজিতে লাইভ আপডেট জানতে CLICK করুন
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।