sushant singh rajput death case: নজরে কুপার হাসপাতাল, সুশান্তের ময়নাতদন্ত করা ডাক্তাররা পাচ্ছেন লাগাতার হুমকি! – doctors of cooper hospital who carried out sushant’s post-mortem face shocking abuse and threats

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: যে পাঁচ জন চিকিত্‍সক ১৪ জুন সুশান্ত সিং রাজপুতের (Sushant Singh Rajput ) দেহের ময়নাতদন্ত করেছিলেন, তাঁদের দিন কাটছে আতঙ্কে। প্রতিনিয়ত নানা হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে এই পাঁচ জনকে। তাঁদের বিরুদ্ধে

দূষিত প্রচারে প্রকাশ করে দেওয়া হয়েছে ব্যক্তিগত ফোন নম্বর এবং নাম। তিন দিন আগে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, মোটা টাকার ঘুষ নিয়ে তাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবে বদলে দিয়েছেন সুশান্তের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর এবং ডাক্তারদের নাম ও ফোন নম্বর শেয়ার হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই একের পর এক ফোন আসতে থাকে, যেখানে তাঁদের অশ্রাব্য ভাষায় কথা শোনানো হয়। এখানেই শেষ নয়, কুপার হাসপাতালের বিভিন্ন ল্যান্ড লাইনেও আসতে থাকে একের পর এক হেট কল। কেউ কেউ দাবি করেন এই পাঁচ জন ডাক্তারের লাইসেন্স অবিলম্বে বাতিল করে দেওয়া হোক, কেউ দাবি করেন এঁদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করা হোক আবার কারও দাবি কুপার হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হোক। কুপার হাসপাতালের ডিন ডা. পিনাকীন গুজ্জর জানিয়েছেন, যে পাঁচ জন ডাক্তারকে ক্রমাগত ফোন করে গালিগালাজ করা হচ্ছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এই ঘটনায় ভীষণভাবে বিচলিত হয়ে পড়েছেন ওই পাঁচ জন ডাক্তার। তাঁরা পুলিশে লিখিত নালিশ জানাতেও ভয় পাচ্ছেন, পাছে এই হেনস্থা আরও বেড়ে যায় এই ভেবে।

মহারাষ্ট্রের মেডিকো লিগাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. সৈলেশ মোহিতা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পোস্ট মর্টেমের পদ্ধতি নিয়ে কারও যদি কোনও অভিযোগ থাকে তাহলে আইনি পদক্ষেপ করুন। এভাবে চিকিত্‍সকদের বিব্রত করার এবং হুমকি দেওয়ার কোনও যৌক্তিকতা নেই।

আরও পড়ুন: ঝুলে থাকায় দম বন্ধ হয়ে মৃত্যু সুশান্তের, বলছে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

সুশান্তের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উল্লেখ নেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের: বিহার পুলিশ

চোখে-হাঁটুতে আঘাত! খুনই হয়েছিলেন সুশান্ত সিং রাজপুত? ভাইরাল চিকিৎসকের দাবি

সুপ্রিম রায়! সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু তদন্ত গেল সিবিআই-এর হাতে

১৪ জুন বান্দ্রায় নিজের ফ্ল্যাট থেকেই পাওয়া যায় অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের ঝুলন্ত দেহ। নিয়ম মেনে পুলিশ সেই দেহ ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠিয়ে দেয় মুম্বইয়ের কুপার হাসপাতালে। সেই রিপোর্টেই দাবি করা হয়েছিল রিপোর্ট বলছে, ঝুলে থাকায় অ্যাসফিক্সিয়া (asphyxia)-র কারণেই মৃত্যু হয়েছে অভিনেতার। শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে, তার থেকে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে বা মারাও যেতে পারে। এই অবস্থাকেই বলে অ্যাসফিক্সিয়া। পোস্টমর্টেমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ঝুলে থাকায় এই অবস্থা তৈরি হয় সুশান্তের শরীরে। এটাই তাঁর মৃত্যুর কারণ। কিন্তু এখানেই থেমে যায়নি সুশান্তের মৃত্যু তদন্ত। বরং বিহার পুলিশের তদন্তকারীরা সেই হাসপাতালে গিয়েছিলেন সুশান্তের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখতে। কিন্তু সেখানে তাঁদের সুশান্তের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখতে দেওয়া হয়নি। বহু কাঠখড় পুড়িয়ে শেষ পর্যন্ত যখন সেই রিপোর্ট পুলিশ হাতে পায়, সেখানে দেখা যায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সেই রিপোর্টে নেই। এবং মৃত্যুর এতদিন পরেও কারও কাছে সেগুলি নিয়ে কোনও তথ্যই নেই।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Next Post

রিয়ার উপর চটলেন বিহারের ডিজিপি, ভাইরাল ভিডিয়ো

Wed Aug 19 , 2020
প্রকাশ্যেই মন্তব্য করেন বিহারের ডিজিপি  Source link

You May Like

Breaking News

Recent Posts