বৃহস্পতিবার রাগিনীকে মল্লেশ্বরমের কেসি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই ড্রাগ টেস্টের জন্য তাঁর প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ইউরিন ড্রাগ টেস্টের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয় গত কয়েকদিনে কেউ মাদক নিয়েছেন কিনা। সিসিবির অভিযোগ, নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে প্রস্রাবের সঙ্গে জল মিশিয়ে দেন রাগিনী। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। অভিনেত্রীর জালিয়াতি বুঝতে পেরে যান চিকিৎসকরা। রাগিনীকে ফের জল খাইয়ে প্রস্রাবের নমুনা সংগ্রহ করেন। দ্বিতীয়বার যাতে কোনও জালিয়াতি না হয় তা নিশ্চিত করে সিসিবি।
গোটা বিষয়টি দুর্ভাগ্যজনক ও লজ্জাজনক আখ্যা দেন সিসিবি আধিকারিকরা। শুক্রবার ম্যাজিস্ট্রেটকেও বিষয়টি জানানো হয়। এরপরেই অভিনেত্রীকে ফের হেফাজতে নেওয়ার আরজি জানান তদন্তকারীরা। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে আরও ৩ দিন পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। তদন্তে জানা গিয়েছে, রাগিনী তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুর কাছ থেকে ও এক বিদেশির কাছ থেকে ড্রাগ নিতেন। এক আফ্রিকান রাগিনীর বাড়িতে এমডিএমএ ট্যাবলেট পৌঁছে দিত। সাইমন নামের ওই বিদেশির সঙ্গে রাগিনীর বার্তা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের প্রমাণ মিলেছে।
আরও পড়ুন: মাদকযোগে গ্রেফতার দক্ষিণী নায়িকা, সোমবার পর্যন্ত জেল হেফাজতে
এই সময় ডিজিটালের বিনোদন সংক্রান্ত সব আপডেট এখন টেলিগ্রামে। সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এখানে।
