বোর্ডের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর হিন্দিতে অকৃতকার্য পড়ুয়ার সংখ্য়া তুলনামূলকভাবে কম। গত বছর এই দুই পরীক্ষা মিলিয়ে প্রায় ১০ লক্ষ পড়ুয়া হিন্দিতে ফেল করেছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।
এই পরিস্থিতির জন্য পড়ুয়া এবং শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, পড়ুয়ারা যেমন হিন্দির প্রতি গুরুত্ব দেয় না তেমন শিক্ষক এবং অভিভাবকরা সমানভাবে দোষী। যে কারণে এই হাল।
এই প্রসঙ্গে লখনউ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দি বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আর সি ত্রিপাঠী একটি ইংরেজি সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘অভিভাবকদের একাংশ চান, তাঁদের সন্তানরা বাড়িতেও ইংজেরিতে কখা বলুক। হিন্দি ভাষা তাঁদের কম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘আর ছাত্রছাত্রীদের ধারনা হিন্দি আমার মাতৃভাষা। খুব সহজেই পরীক্ষায় উতরে যাওয়া যায়। ফলে অন্য বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিলেও ভাষার প্রতি তাদের কোনও গুরুত্ব থাকে না। ফলে অনেকেই পরীক্ষায় আটকে যায়।’ পাশাপাশি রাজ্য়ে হিন্দি ভাষায় দক্ষ শিক্ষকেরও অভাব আছে বলেও অভিমত বিশিষ্ট এই শিক্ষাবিদের। বিষয়টি নিয়ে সরকারি স্তরে সক্রিয়তা একান্ত প্রয়োজন বলে করেন তিনি।
