২০১৫ সাল পর্যন্ত দিনে ১২ ঘন্টা কাজ করতেন এই কিংবদন্তী চিকিত্সক। ১৯৮১ সালে তাঁর হাতেই গড়ে ওঠে ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউট। সেখানেই সপ্তাহে পাঁচ দিন রোগী দেখতেন তিনি। চিকিত্সক মহলে তিনি খ্যাত ‘Godmother of Cardiology’ নামে। ১৯৫৪ সালে তাঁর হাত ধরেই উত্তর ভারতের প্রথম কার্ডিয়াক ক্যাথেটেরাইজেশন ল্যাবোরেটরি তৈরি হয় লেডি হার্ডিং মেডিকাল কলেজে।
১৯৬৭ সালে মৌলানা আজাদ মেডিকাল কলেজের ডিরেক্টর-প্রিন্সিপালের দায়িত্ব হাতে তুলে দেওয়া হয় ডা. এস আই পদ্মাবতীর। এখানেই তিনি দেশের প্রথম কার্ডিওলজির DM কোর্স চালু করেন। এখানেই পথ চলা শুরু ভারতের প্রথম করোনারি কেয়ার ইউনিট এবং করোনারি কেয়ার ভ্যানের। ১৯৬২ সালে ডা. এস আই পদ্মাবতী প্রতিষ্ঠা করেন অল ইন্ডিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন (All India Heart Foundation)। চিকিত্সা ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৬৭ সালে পদ্ম ভূষণ এবং ১৯৯২ সালে তাঁকে পদ্মবিভূষণ খেতাবে ভূষিত করা হয়।
অন্যদিকে দেশে ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। রবিবার প্রধানমন্ত্রীকে লেখা একটি চিঠিতে ইন্ডিয়ান মেডিকাল অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৮৭ হাজার স্বাস্থ্য কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৫৭৩ জনের। চিঠিতে IMA-এর বক্তব্য, ‘স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ম্যানপাওয়ার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারা দেশে একই ব্যবস্থা ও পরিকাঠামো গ্রহণ করা অত্যন্ত আবশ্যিক হয়ে পড়েছে। ডাক্তার এবং চিকিত্সা কর্মী নিয়োগে ব্যাপক ফারাক দেখা গিয়েছে জেলায় জেলায়। তাঁদের প্রত্যেকের কাজের ধরন আলাদা। যার প্রধান কারণ জেলা ভিত্তিক প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর অভাব।’
এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন।
